বুধবার  ০৫ অক্টোবর ২০২২,   আশ্বিন ১৯ ১৪২৯,  ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে টাইগারদের পুঁজি ২৫৬

প্রকাশিত: ১৭:০৬, ১০ আগস্ট ২০২২

হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে টাইগারদের পুঁজি ২৫৬

আফিফ হোসেন ধ্রুব

বড় লজ্জার সামনে দাঁড়ানো বাংলাদেশ তৃতীয় ওয়ানডে জিতে বাঁচতে চায় ২১ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার লজ্জা থেকে। কিন্তু হারারের ব্যাটিং স্বর্গে বাংলাদেশ পারল না বড় পুঁজি দাঁড় করাতে। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে এনামুল হক বিজয় ও আফিফ হোসেন ধ্রুব ছাড়া ব্যাট হাতে ব্যর্থ টাইগারদের সবাই। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৬ রান করে বাংলাদেশ।

এনামুল হক বিজয়ের সামনে সুযোগ ছিল আজ বাংলাদেশের সিকান্দার রাজা হওয়ার। সিরিজের আগের দুই ওয়ানডেতেই দলের বিপর্যয়ে বুক চিতিয়ে লড়ে জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তবে বিজয় আশা দেখিয়েও ব্যর্থ। বাকিদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন আফিফ। তাতে টাইগারদের ইনিংস থেমেছে ২৫৬ রানেই।

বুধবার সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করতে নামা তামিম-বিজয়ের উদ্বোধনী জুটি ৮.১ বলে ৪১ রান যোগ করে দলের খাতায়। তামিম ইকবাল ৩০ বলে করেন ১৯ রান। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চারের মার। অধিনায়কের বিদায়ের পরের ওভারের প্রথম বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। গোল্ডেন ডাক মেরে নিজের ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন এই ব্যাটার।

শান্তর পর ইভান্সের সে ওভারেই লাফিয়ে ওঠা বলে অহেতুক শট খেলে ক্যাচ তুলে দেন মুশফিকুর রহিমও। শূন্য রানে অযথা উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসে দলকে বিপদে ফেলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

আকস্মিক ছন্দপতনে ৩ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশ তখন বিপদে। তবে দারুণ ব্যাটিংয়ে দিশা দেখাচ্ছিলেন এনামুল হক বিজয়। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে ভালো একটা জুটি গড়েছিলেন এই ব্যাটার। কিন্তু বিদায় নেন নিরীহ এক বলেই। স্ট্যাম্পের বাহিরের নিরীহ দর্শন এক বলে খোঁচা মেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেয়ার আগে ৭১ বলে ৬ চার ও ৪ ছয়ে ৭৬ রান করেন তিনি।

বিজয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে সামাল দেয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ব্যাট করছিলেন টেস্টের মেজাজে। তবে সাবধানী ব্যাটিংয়েও রক্ষা হলো না সাইলেন্ট কিলারের। বোল্ড হয়ে যান রিয়াদ। এনগারাভার বলে বোল্ড হয়ে শেষ হয় রিয়াদের সংগ্রামী ইনিংস। ৬৯ বলে ৩ চারের মারে ৩৯ রান করেন রিয়াদ।

রিয়াদের সঙ্গে জুটি গড়ে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট এনে দিতে লড়ছিলেন আফিফ। তরুণ কাঁধে সামলাতে চেষ্টা করেছেন দলের ভার। বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ পর্যন্ত লড়ে গেছেন চ্যালেঞ্জিং একটা সংগ্রহ এনে দিতে। শেষ পর্যন্ত ৮১ বলে ৬ চার ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৮৬ রানে।