শনিবার  ২৫ জুন ২০২২,   আষাঢ় ১১ ১৪২৯

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

গাজীপুরে ঠিকাদার সাঈদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫আসামি খালাস

প্রকাশিত: ১৫:০৬, ২২ মে ২০২২

গাজীপুরে ঠিকাদার সাঈদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫আসামি খালাস

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ধীরাশ্রম এলাকার ঠিকাদার আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (২২ মে) মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা। পলাতকদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী শফিকুল ইসলাম কাজল। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম।
রায় ঘোষণার পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুল ইসলাম বলেন, বিচারিক আদালতে আসামিদের দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি আমলে নেননি হাইকোর্ট। এটিসহ বিভিন্ন বিবেচনায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করবে।
এর আগে, ২০০৮ সালের ১৭ জুন রাতে ধীরাশ্রম এলাকার মাটি সরবরাহের ঠিকাদার ব্যবসায়ী মো. আবু সাঈদকে (৪২) বাড়ি থেকে ডেকে নেন আসামিরা। পরে রাত ১১টার দিকে পূর্বশত্রুতার জেরে আসামিরা আবু সাঈদকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করে পার্শ্ববর্তী ধীরাশ্রম রেলস্টেশনের কাছে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে পরদিন নিহত আবু সাঈদের বাবা মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুরু মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন এবং পুলিশে খবর দেন।
পরে ছেলে হত্যার ঘটনায় একই এলাকার ইয়াকুব, দেলোয়ার, মাসুদ ও হান্নানের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন সাঈদের বাবা।
ওই মামলার বিচার শেষে ২০১৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের জেলা ও দায়রা জজ এ কে এম এনামুল হক রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ধীরাশ্রম এলাকার মো. ইয়াকুব আলী, মো. হান্নান ওরফে হান্নু, মো. দেলোয়ার হেসেন ওরফে দেলু, মো. মনির ও মো. ইকবাল হোসেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হলেন-একই এলাকার মো. মাসুদ ওরফে মাইছ্যা।
পরে বিধান অনুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি দেলোয়ার, হান্নান ও ইকবাল আপিল করেন।

গাজীপুর কথা