ঢাকা,  শনিবার  ২২ জুন ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ৪১২

প্রকাশিত: ২০:৪৯, ১৮ আগস্ট ২০২৩

রংপুর বিভাগে ৩৩ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ৪১২

ফাইল ফটো

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের। দলীয় সভা-সমাবেশ, ঘরোয়া বৈঠকসহ নানা উপায়ে তারা নিজেদের পরিচিত করে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। রংপুর বিভাগের আট জেলার ৩৩টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ৪১২ জন দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আওয়ামী লীগের ১৬৯ জন। বিএনপির ১০৯, জাতীয় পার্টির ৬০, জামায়াতে ইসলামীর ২৫ এবং অন্যান্য দলের ৪৯ জন ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির দুর্গ বলে খ্যাত রংপুর বিভাগে এবার সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ‘শূন্যতায়’ দলীয় প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে। জামায়াতের সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো। তবে দলের নিবন্ধন নিয়ে জটিলতা না কাটলে জামায়াত প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ভোট করবেন বলে দলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। আসনওয়ারি বিভিন্ন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের নাম তুলে ধরা হলো-

রংপুর জেলার ছয়টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : রংপুর-১ আসনে (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশনের একাংশ) আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, গঙ্গাচড়া উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমীন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু ও রবিউল ইসলাম রেজভী; জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি মশিউর রহমান রাঙ্গা ও এরশাদের ভাতিজা সাবেক এমপি হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ; বিএনপির ওয়াহেদুজ্জামান মাবু, আলমবিদিতর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজন, শরীফ নেওয়াজ জোহা, খায়রুল আলম বাবু ও মোফাখখারুল ইসলাম নবাব; জামায়াতে ইসলামীর সহকারী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি সিএম সাদিক।

রংপুর-২ আসনে (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি আবুল কালাম মো. আহসানুল হক ডিউক চৌধুরী, বদরগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কৃষিবিদ বিশ্বনাথ সরকার বিটু, বদরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র উত্তম কুমার সাহা ও সুমনা আক্তার লিলি; জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আনিছুল হক মন্ডল, অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান চৌধুরী সাবলু ও অ্যাডভোকেট মোকাম্মেল হোসেন চৌধুরী; জাসদের (ইনু) ইউপি চেয়ারম্যান কুমারেশ রায় এবং বিএনপির সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী সরকার, সাবেক এমপি পরিতোষ চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট গোলাম রসুল বকুল, আজিজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন ও শিবলী রহমতউল্ল্যাহ।

রংপুর-৩ আসনে (সদর ও সিটি করপোরেশনের একাংশ) জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি এরশাদপুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জিএম কাদের (নেতাকর্মীদের দাবি) ও এসএম ইয়াসির; আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম ও তুষার কান্তি মন্ডল; বিএনপির হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাবেক মন্ত্রী মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে রিটা রহমান, সামসুজ্জামান সামু, শহিদুল ইসলাম মিজু ও ইঞ্জিনিয়ার আশিকুর রহমান তুহিন; জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল, ইসলামী আন্দোলনের এটিএম গোলাম মোস্তফা ও আমিরুজ্জামান পিয়াল; বাসদের আনোয়ার হোসেন বাবলু ও আবদুল কুদ্দুস; জাসদের গৌতম রায় ও সাব্বির হোসেন; কল্যাণ পার্টির মোহাম্মদ ইলিয়াছ; এবি পার্টির মাহবুবার রহমান মাহবুব এবং খেলাফত মজলিসের নুর হোসেন ও তৌহিদুর রহমান।

রংপুর-৪ আসনে (কাউনিয়া-পীরগাছা) আওয়ামী লীগের বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি ও মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ; জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি করিম উদ্দিন ভরসার ছেলে সিরাজুল ইসলাম ভরসা, মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল ও পীরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান; বিএনপির সাবেক এমপি রহিম উদ্দিন ভরসার ছেলে এমদাদুল হক ভরসা, কর্নেল (অব.) আবদুল বাতেন ও অ্যাডভোকেট সাহেদ কামাল পাটোয়ারী; ওয়ার্কার্স পার্টির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী; কল্যাণ পার্টির ফয়জুল হক; বাংলাদেশ কংগ্রেসের এমএম হক আকরাম এবং জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আযম খান।

রংপুর-৫ আসনে (মিঠাপুকুর) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি এইচএন আশিকুর রহমান, তার ছেলে রাশেক রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরকার ও মোতাহার হোসেন মন্ডল মওলা; বিএনপির অধ্যাপক গোলাম রব্বানি, প্রভাষক একেএম রুহুল্লাহ জুয়েল, শিল্পপতি আখতার হোসেন ও ডা. মমতাজ হোসেন; জাতীয় পার্টির এসএম ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী ও হাফিজুর রহমান।

রংপুর-৬ আসনে (পীরগঞ্জ) আওয়ামী লীগের জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল, শিল্পপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ রেজা শান্ত; বিএনপির সাইফুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম সেবু মন্ডল ও ফিরোজ রাব্বানী; জাতীয় পার্টির নূরে আলম যাদু; বিএনএফের জিএম মজনু সরকার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তাকিয়া জাহান চৌধুরী।

দিনাজপুর জেলার ছয়টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : দিনাজপুর-১ আসনে (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল, বীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, জাকারিয়া জাকা, আবু হুসাইন বিপু, বরদা ভূষণ রায় লিটন ও প্রভাষ চন্দ্র রায়; বিএনপির মনজুরুল ইসলাম মনজু; জাতীয় পার্টির শাহিনুর ইসলাম; জামায়াতে ইসলামীর খোদা বখস এবং ওয়ার্কার্স পার্টির আবদুল হক।

দিনাজপুর-২ আসনে (বিরল-বোঁচাগঞ্জ) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ও নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও ডা. মানবেন্দ্র রায়; বিএনপির আ ন ম বজলুর রশীদ কালু, সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক ও মোজাহারুল ইসলাম; জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী, অ্যাডভোকেট সুধীর চন্দ্র শীল এবং জামায়াতে ইসলামীর আফজালুল আনাম।

দিনাজপুর-৩ আসনে (সদর) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ইকবালুর রহিম ও ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল; বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল এবং জাতীয় পার্টির আহমেদ শফি রুবেল।

দিনাজপুর-৪ আসনে (চিরিরবন্দর-খানসামা) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি আবুল হাসান মোহাম্মদ মাহমুদ আলী, ডা. আমজাদ হোসেন, তারিকুল ইসলাম তারিক, জ্যোতিষ চন্দ্র রায় ও শেখ রফিকুল ইসলাম; বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া ও হাফিজুর রহমান; জাতীয় পার্টির মোনাজাত উদ্দীন এবং জামায়াতে ইসলামীর চিরিরবন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আফতাবউদ্দীন মোল্লা।

দিনাজপুর-৫ আসনে (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, জাকির হোসেন জাকারিয়া, সফেদ আশফাক তুহিন ও শহিদুল আলম শান্তু; বিএনপির জাকারিয়া বাচ্চু, এজেডএম রেজওয়ানুল হক ও এজেডএম মেনহাজুল হক এবং জাতীয় পার্টির কাজী আবদুল গফুর, জহুরুল হক ও সোলায়মান সামি।

দিনাজপুর-৬ আসনে (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি শিবলী সাদিক, আলতাফুজ্জামান মিতা, সাবেক এমপি আজিজুল হক চৌধুরী, মিজানুর রহমান মন্ডল ও আতাউর রহমান; বিএনপির ডা. জাহিদ হোসেন; জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলনের ডা. নুরে আলম সিদ্দিক।

গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : গাইবান্ধা-১ আসনে (সুন্দরগঞ্জ) জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মোহসীন সরদার; আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের বোন আফরুজা বারী, সাবেক এমপি লিটনের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু, আবদুল হান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলাম, সৈয়দ মশিউর রব্বানী আতাউর রহমান ও সৈয়দা মাসুদা খাজা; বিএনপির ডা. জিয়াউল ইসলাম, মোজাহারুল ইসলাম, বাবুল আহমেদ ও মাহমুদুল ইসলাম; জামায়াতে ইসলামীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাজেদুর রহমান; জাসদের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক এবং কমিউনিস্ট পার্টির আবু বকর সিদ্দিক ও নূরে আলম মানিক।

গাইবান্ধা-২ আসনে (সদর) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক গণপরিষদের প্রথম স্পিকার শাহ্ আব্দুল হামিদের নাতি শাহ্ সারোয়ার কবীর, সৈয়দ শামস উল আলম হিরু, ফরহাদ আবদুল্লাহ হারুন বাবলু, পিয়ারুল ইসলাম ও আমিনুর জামান রিংকু; বিএনপির আনিসুজ্জামান খান বাবু, মাহমুদুন নবী টিটুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ সামাদ আজাদ, অ্যাডভোকেট কাজী আমিরুল ইসলাম ফকু, অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু ও শহীদুজ্জামান শহীদ; জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আবদুর রশিদ সরকার, সারোয়ার হোসেন শাহীন ও শাহজাহান খান আবু; জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল করিম সরকার এবং কমিউনিস্ট পার্টির মিহির ঘোষ।

গাইবান্ধা-৩ আসনে (সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি, পলাশবাড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার (অব.) মাহামুদুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) মফিজুল হক সরকার, আবু বকর প্রধান, উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন, মহদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম মন্ডল, ড. নির্মল চন্দ্র সাহা, আজিজুর রহমান সরকার, সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহারিয়ার খান বিল্পব, সহিদুল্যাহেল কবির ফারুক, আজিজার রহমান বিএসসি ও তৌহিদুল ইসলাম মন্ডল; বিএনপির ডা. মইনুল হাসান সাদিক, রফিকুল ইসলাম রফিক ও ড. মিজানুর রহমান মাসুম; জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ড. টিআইএম ফজলে রাব্বীর ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মইনুর রাব্বী চৌধুরী, মমতাজ উদ্দিন, ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী ও মঞ্জুরুল হক সাত্তা; জামায়াতে ইসলামীর পলাশবাড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু; জাসদের খাদেমুল ইসলাম খুদি ও নুরুজ্জামান প্রধান, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অ্যাডভোকেট মোস্তফা মনিরুজ্জামান; সিপিবির আদিল নান্নু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আমেরিকা প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার আবু জাহিদ নিউ।

গাইবান্ধা-৪ আসনে (গোবিন্দগঞ্জ) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, সাবেক এমপি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সাবেক পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার ও নাজমুল ইসলাম লিটন; বিএনপির সাবেক এমপি শামীম কায়সার লিংকন, ফারুক কবির আহম্মেদ, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ওবায়দুল হক সরকার বাবলু ও ফারুক আহম্মেদ; জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান চৌধুরী ও অধ্যক্ষ কাজী মশিউর রহমান; জামায়াতে ইসলামীর ডা. আবদুর রহিম ও নুরুন্নবী প্রধান; ওয়ার্কার্স পার্টির আবদুল মতিন মোল্লা এবং সিপিবির অশোক আগারওয়াল ও তাজুল ইসলাম।

গাইবান্ধা-৫ আসনে (ফুলছড়ি ও সাঘাটা) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি মাহমুদ হাসান রিপন, সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বীর মেয়ে ফারজানা হক বুবলী ও ফুলছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ সুশীল চন্দ্র সরকার; জাতীয় পার্টির জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা ও সাঘাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু; বিএনপির মাহমুদুল নবী টিটুল, ফারুক আলম সরকার, সোহাগ খান, মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান এবং সিপিবির যোগেশ্বর বর্মণ।

কুড়িগ্রাম জেলার চারটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : কুড়িগ্রাম-১ আসনে (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি আসলাম হোসেন সওদাগর, রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, শিল্পপতি গোলাম মোস্তফা, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা চেয়ারম্যান নূরুন্নবী চৌধুরী খোকন, নাগেশ্বরী উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোস্তফাজামান, মাজহারুল ইসলাম মাজু ও ডা. মাহাফুজার রহমান উজ্জ্বল; বিএনপির সাইফুর রহমান রানা; ড্যাব নেতা ডা. মো. ইউনুছ আলী, গোলাম রসুল রাজা ও ডা. মাহফুজার রহমান মারুফ; জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি একেএম মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক; জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আজিজুর রহমান স্বপন এবং ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মোস্তফা মো. আনসার আলী রয়েল ও হাবিবুল্লাহ বেলালী।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে (সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট) আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, অ্যাডভোকেট এসএম আব্রাহাম লিংকন, অধ্যক্ষ রাশেদুজ্জামান বাবু, সাঈদ হাসান লোবান ও চলচ্চিত্র পরিচালক আবু সুফিয়ান; জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) আবদুস সালাম ও সাইফুর রহমান; বিএনপির অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, শফিকুল ইসলাম বেবু, সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ও ব্যারিস্টার রবিউল ইসলাম সৈকত; ইসলামী আন্দোলনের মোস্তাফিজুর রহমান; ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের শাহাজাহান মিয়া ও ডা. আবুল কালাম আজাদ; কল্যাণ পার্টির আমজাদ হোসেন ও মশিউর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে (উলিপুর) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি অধ্যাপক এমএ মতিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টু, অধ্যক্ষ আহসান হাবীব রানা, সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে গবা, মতি শিউলী ও সাজাদুর রহমান তালুকদার সাজু; জাতীয় পার্টির ড. মেহে জেবুন্নেসা রহমান টুম্পা, আতিয়ার রহমান মুন্সি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম কফিল উদ্দিন ও হাতিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন; বিএনপির তাসভীর উল ইসলাম, আবদুল খালেক ও আবদুল বারী সরকার এবং ইসলামী আন্দোলনের সাবেক এমপি আক্কাছ আলী সরকার।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে (রৌমারী, রাজিবপুর ও চিলমারী আংশিক) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন, মুরাদ লতিফ, অ্যাডভোকেট মাসুম ইকবাল, রৌমারী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বঙ্গবাসি, রাজিবপুর উপজেলার চেয়ারম্যান শফিউল আলম, বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের ও অ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন; বিএনপির আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, আবদুল বারী সরকার ও মমতাজ হোসেন লিপি; জাতীয় পার্টির লন্ডন প্রবাসী আবদুর রাজ্জাক, আনোয়ার হোসেন ও বাবলু রহমান; জেপির সাবেক এমপি রুহুল আমিন এবং জামায়াতে ইসলামীর মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও নুরুল আলম মুকুল।

নীলফামারী জেলার চারটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : নীলফামারী-১ আসনে (ডোমার-ডিমলা) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন, সরকার ফারহানা আক্তার সুমি ও খায়রুল আলম বাবুল; বিএনপির খালেদা জিয়ার বোনজামাই অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম; জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি এনকে আলম ও তসলিম উদ্দিন; জামায়াতে ইসলামীর আবদুস সাত্তার; ভাসানী ন্যাপের জেবেল রহমান গানি এবং জমিয়তে ইসলামীর মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফিন্দি।

নীলফামারী-২ আসনে (সদর) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি আসাদুজ্জামান নূর; বিএনপির আ খ ম আলমগীর হোসেন সরকার; জামায়াতে ইসলামীর ড. খায়রুল আনাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন।

নীলফামারী-৩ আসনে (জলঢাকা) আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা, দেওয়ান কামাল আহমেদ, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ বাহাদুর; জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল ও কাজী ফারুক কাদের এবং বিএনপির সামসুজ্জামান সামু, সৈয়দ আলী ও পৌরসভার সাবেক মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট।

নীলফামারী-৪ আসনে (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আওয়ামী লীগের সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন বাবুল, মোশাররফ হোসেন, রাশেদুজ্জামান রাশেদ, মহসিনুল হক মহসিন, আমেনা কোহিনুর, মোস্তফা ফিরোজ ও নাফিউল করিম নাফা; জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি আদেলুর রহমান ও সিদ্দিকুল আলম; বিএনপির বিলকিস ইসলাম, আবদুল গফুর সরকার, শওকত হায়াৎ শাহ ও সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন; জামায়াতে ইসলামীর আবদুল মুনতাকিম এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম।

লালমনিরহাট জেলার তিনটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : লালমনিরহাট-১ আসনে (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন, আতাউর রহমান প্রধান ও পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন; বিএনপির ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, অ্যাডভোকেট মাজেদুল ইসলাম পাটোয়ারী উজ্জ্বল, শাহীন আকন্দ, মোশাররফ হোসেন ও শামসুজ্জামান সেলিম; জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল ও এমজি মোস্তফা; জাসদের ছাদেকুল ইসলাম; ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল হক ও হাবিবুর রহমান; ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আবদুস ছাত্তার; বিএনএফের আলমগীর হোসেন মুরাদ এবং জামায়াতে ইসলামীর হাবীব মো. ফারুক ও আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।

লালমনিরহাট-২ আসনে (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ, সিরাজুল হক, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য সেলিম হায়দার ও এমদাদুল হক; বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু, সালেহ উদ্দিন আহম্মেদ হেলাল, রোকন উদ্দিন বাবুল, জাহাঙ্গীর আলম ও ড. রোকনুজ্জামান রোকন; জাতীয় পার্টির শাহ সুলতান নাসির উদ্দিন আহমেদ নাহিদ; ইসলামী আন্দোলনের ইব্রাহিম হোসেন খান; এনপিপির শফিকুল ইসলাম; গণতন্ত্রী পার্টির উত্তম কুমার রায় এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী শান্ত।

লালমনিরহাট-৩ আসনে (সদর) জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি ও দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও তার স্ত্রী শেরিফা কাদের; বিএনপির সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু; আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী, ড. তানভীর ফেরদৌস সাঈদ ও গোলাম মোস্তফা স্বপন; ইসলামী আন্দোলনের মোকছেদুল ইসলাম; বাসদের আবু তৈয়ব মো. আজমুল হক পুতুল এবং গণতন্ত্রী পার্টির উত্তম কুমার রায়।

ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : ঠাকুরগাঁও-১ আসনে (সদর ও রুহিয়া) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ও সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাদেক কুরাইশী, সাবেক এমপি খাদেমুল ইসলামের ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট অরুণাংশু দত্ত টিটো ও আঞ্জুমান আরা বেগম; বিএনপির একক প্রার্থী দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; জাতীয় পার্টির রেজাউল রাজি স্বপন চৌধুরী; জামায়াতে ইসলামীর দেলোয়ার হোসেন এবং ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন চৌধুরী।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি দবিরুল ইসলাম ও তার ছেলে মাজহারুল ইসলাম সুজন, ছাত্রলীগের প্রথম সভাপতি দবিরুল ইসলামের ছেলে আহসান উল্লাহ ফিলিপ ও মোস্তাক আলম টুলু; বিএনপির জেড মর্তুজা চৌধুরী তুলা, ডা. আব্দুস সালাম ও ড. টিএম মাহবুবর রহমান; জাতীয় পার্টির নূরুন নাহার বেগম এবং জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুল হাকিম।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে (পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈল) জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ; আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইমদাদুল হক; বিএনপির সাবেক এমপি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ; ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী এবং জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন।

পঞ্চগড় জেলার দুটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী : পঞ্চগড়-১ আসনে (সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি মজাহারুল হক প্রধান, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, নাঈমুজ্জামান মুক্তা, আবু তোয়াবুর রহমান, আটোয়ারী উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, ইয়াছিল আলী মন্ডল, জাকিয়া খাতুন, শারমিন জাহান মেরি ও আবদুল লতিফ তারিন; বিএনপির সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ও পঞ্চগড় পৌরসভার সাবেক মেয়র তৌহিদুল ইসলাম; জাতীয় পার্টির আবু সালেক ও জাসদের সাবেক এমপি নাজমুল আলম প্রধান; জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবদুল খালেক এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির শফিউল আলম প্রধানের ছেলে রাশেদ প্রধান।

পঞ্চগড়-২ আসনে (বোদা-দেবীগঞ্জ) আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি ও রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন, ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহজাহান মন্ডল ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মালেক চিশতি; বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ ও সাবেক এমপি মাজাহার হোসেনের ছেলে মাহামুদুল হাসান সুমন; জাসদের অধ্যাপক এমরান আল আমিন; জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জুঁই; জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান রিপন; সিপিবির আশরাফুল আলম; জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শিশির আজাদ।

(প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন দিনাজপুর প্রতিনিধি একরাম তালুকদার, গাইবান্ধা প্রতিনিধি সিদ্দিক আলম দয়াল, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আহসান হাবীব নীলু, নীলফামারী প্রতিনিধি মোস্তফা আবিদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি মিজানুর রহমান দুলাল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি এটিএম শামসুজ্জোহা ও পঞ্চগড় প্রতিনিধি এসএ মাহমুদ সেলিম।)