ঢাকা,  মঙ্গলবার  ১৮ জুন ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

এই ৫ স্বাস্থ্যকর অভ্যাস আপনার আছে তো?

প্রকাশিত: ২১:১১, ১০ জুন ২০২৪

এই ৫ স্বাস্থ্যকর অভ্যাস আপনার আছে তো?

প্রতীকী ছবি

আমাদের প্রতিদিনের আচরণই আমাদের অভ্যাস। যেহেতু অভ্যাস জীবনের সঙ্গে পুরোপুরিভাবে জড়িত, তাই তা আমাদের জীবনে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দুইভাবেই প্রভাব ফেলতে পারে। আপনি কি জানেন যে আমরা যা কিছু করি তার ৪০ শতাংশই অভ্যাস? ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে সময় লাগে। এটি এমন কিছু নয় যে রাতারাতি ঘটে যাবে, তাই নিজের জন্য অবাস্তব প্রত্যাশা তৈরি করবেন না। এর বদলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী লেগে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ৫টি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস সম্পর্কে-

১. পানি পান করা

আপনি কি জানেন যে আপনি যখন ঘুমান তখন আপনি হালকা ডিহাইড্রেটেড হন? ঘুম থেকে ওঠার পরেই পানি পান করলে তা আপনার শরীরকে রিহাইড্রেট করতে, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আপনার পুষ্টিগুলোকে পুনরায় পূরণ করতে সহায়তা করে। আমাদের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পানি জীবনের অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে একটি। সারাদিন হাইড্রেটেড থাকলে তা আপনার মেজাজ এবং ঘুমের উন্নতি ঘটাবে, তাই আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন। সেইসঙ্গে সারাদিনই পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

২. সক্রিয় থাকা

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে তা ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, হার্টের সমস্যা এবং আরও অনেক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। হাঁটা এবং সাঁতার কাটার মতো সহজ কিছু কাজ আপনার স্বাস্থ্যের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ২.৫ ঘণ্টা সক্রিয় শরীরচর্চায় অংশগ্রহণ করা জরুরি।

৩. তাজা খাবার খাওয়া

শাক-সবজি এবং ফলে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে যা আপনার শরীরের মৌলিক কাজগুলোকে সহজ করে দেয়। রোগ, বার্ধক্য এবং আরও অনেক কিছুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি।

৪. নতুন কিছু শিখুন

মনকে সক্রিয় এবং সৃজনশীল কাজের সঙ্গে ব্যস্ত রাখলে তা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন নতুন এবং আপনার জন্য আকর্ষণীয় কিছু শেখার চেষ্টা করুন। এমন কিছু শিখুন যা আপনি উপভোগ করতে পারবেন। কারণ বিরক্তিকর কোনোকিছু জোর করে শিখতে গেলে তা মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। 

৫. প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ

প্রিয়জনের একটুখানি হাসিও আপনার দিনটি সুন্দর করে দিতে পারে। আমাদের পরিবার এবং বন্ধুরা মানসিক সমর্থন হিসাবে কাজ করে। পরিবার বা প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটালে তা হতাশা, উদ্বেগ এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা কমিয়ে দেয়। আপনি যত বেশি তাদের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম কাটাবেন, তত বেশি বন্ধন দৃঢ় হবে। আপনি তত বেশি হাসিখুশি থাকতে পারবেন।