ঢাকা,  মঙ্গলবার  ২৮ মে ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

গরমে ঘন ঘন অসুস্থ হচ্ছেন? ফিট থাকতে কী খাবেন

প্রকাশিত: ১২:৫৮, ১৪ মে ২০২৪

গরমে ঘন ঘন অসুস্থ হচ্ছেন? ফিট থাকতে কী খাবেন

ফাইল ছবি

তীব্র তাপমাত্রায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় ঘাম বসে সর্দি-কাশি,জ্বর, পেটের সমস্যা, হিট স্ট্রোকসহ নানা ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই গরমে সুস্থ থাকতে পুষ্টি সম্মত খাবার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। তাহলে শরীর সুস্থ থাকবে। শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কারণে এই সময় এমন সব খাবার খেতে হবে যা খেলে শরীর সুস্থ থাকে।

ভিটামিন সি যুক্ত খাবার : গরমে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি যুক্ত খাবার রাখুন। এটি আপনার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াবে। শরীর আরও শক্তি পাবে। ত্বক ভালো থাকবে। এজন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সূর্যমুখী বীজ, লেবু, কমলালেবু ইত্যাদি রাখুন। 

প্রোটিন জাতীয় খাবার : গরমে শরীরের দুর্বলতা ও ক্লান্তি কাটাতে খাদ্য তালিকায় প্রোটিন যুক্ত খাবার যেমন- ডাল, প্রোটিন, বীজ রাখুন। এতে শক্তি পাবেন। 

পটাশিয়ামযুক্ত খাবার: শরীরের দুর্বলতা কমাতে গরমের সময় পটাশিয়ামযুক্ত খাবার খান। কারণ অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কমতে থাকে। এমন হলে যেকোন সময় মাথা ঘুরে পড়ে যেতে পারেন। এ কারণে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা, মটরশুঁটি, ব্রকলি, অ্যাভোকাডো, মসুরের ডাল ও ড্রাই ফুটস রাখুন। এসব খাবার খেলে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর হবে। একই সঙ্গে শক্তি পাবেন।

ক্যারোটিনয়েড জাতীয় খাবার : গরমের দিনগুলিতে প্রতিদিন ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন- লাল, হলুদ, সবুজ শাকসবজি ফলমূল খান। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। এছাড়াও যেসব খাবার যেমন-পেঁপে, তরমুজ, গাজর ইত্যাদিতে লাইকোপিন লুটেইন উপাদান থাকে যা ত্বককে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

কী কী খাবেন 
গরমে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে পানি খান। শরীর যাতে ডিহাইড্রেট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। চাইলে টমেটোর রস খেতে পারেন। এতে আপনার শরীরে পানির ঘাটতি হবে না। খাদ্য তালিকায় মৌসুমী ফল, শাকসবজি ইত্যাদি রাখুন। তরমুজ, লাউ, শশা, আখের রস এগুলি খেলে আপনার শরীর সুস্থ থাকবে। শরীর সুস্থ রাখতে গরমের দিনগুলোতে ভাজা খাবার, জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন। প্রত্যেকদিন দু থেকে তিন ঘন্টা অন্তর অন্তর পর পর পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেই সঙ্গে ডাবের পানি, বাটার মিল্ক, ছাতু খেতে ভুলবেন না। কোমল পানীয় ও প্যাকেটজাত জুস খাবেন না। প্রত্যেকদিন পাঁচ থেকে দশটা তুলসী পাতা খাওয়ার চেষ্টা করুন। দিনে অন্তত দুবার করে দই খেলে শরীর হাইড্রেট থাকবে।