ঢাকা,  শনিবার  ২২ জুন ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে

প্রকাশিত: ২০:১৩, ২৪ মে ২০২৩

মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক

ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের মতো যে কোনো মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর যে কোনো ধরনের অংশীদারত্বমূলক বোঝাপড়ায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবে।

মঙ্গলবার (২৩ মে) চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের সাইড লাইনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মধ্যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে জাহিদ মালেক এসব কথা বলেন।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি গ্লোবাল কোভ্যাক্স ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানসহ ভ্যাকসিন পরিবহন ও সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের হেল্থ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিস সেক্রেটারি হ্যাভিয়ার বে’চারা কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ভবিষ্যতে কোভিড-১৯ এর মতো মহামারি মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতামূলক ব্যবস্থায় বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ন্যায্যতা ও সমঝোতার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অধিকতর উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সবসময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করবে বলে মত দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবার জন্য কল্যাণকর যে কোনো ধরনের অংশীদারত্বমূলক বোঝাপড়ায় ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবে বলে জানান।

এছাড়া উভয় দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিষয়ক জরুরি অবস্থা এবং মহামারি অতি দ্রুততার সঙ্গে মোকাবিলায় জেনেটিক ইনফরমেশন শেয়ারিং, ভ্যাকসিন শেয়ারিং এবং মহামারি প্রতিরোধ ব্যবস্থা উদ্ভাবন করে তা সারা বিশ্বে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আওতায় এ ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি/সমঝোতা ফলপ্রসূ হতে পারে মর্মে একমত পোষণ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী একই দিন ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ হতে সেক্রেটারির পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি, ইউএসএইড, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অন্যান্যের মধ্যে জেনেভাস্থ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদারসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।