ঢাকা,  শনিবার  ২২ জুন ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

গরমেও ঠান্ডা মরুর স্কুল

প্রকাশিত: ২০:২৬, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

গরমেও ঠান্ডা মরুর স্কুল

সংগৃহীত ছবি

প্রচণ্ড গরমেও এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র) ছাড়াই শীতল থাকে মরুভূমির স্কুল ভবন। মরুর বুকে যেখানে তাপের দাবদাহে পা ফেলানো দুরূহ ব্যাপার, সেখানেই রয়েছে শীতলতম স্কুল ভবন। তাও আবার নেই কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র।

শুনতে অদ্ভুদ লাগলেও এটাই সত্যি। উত্তর ভারতের রাজস্থানের থর মরুভূমির শহর জায়সালমে দাঁড়িয়ে আছে হলুদ বেলেপাথরের তৈরি স্কুল ভবনটি। নাম দেওয়া হয়েছে রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে দিয়েছে তাপমাত্রাকে। স্কুলের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় প্রায় ২০-৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট কম থাকে। সিএনএন। 

স্কুলটি তৈরি করেন আমেরিকার একটি বেসরকারি অলাভজনক সংস্থা। ডিজাইন করেন নিউইয়র্কের স্থপতি ডায়ানা কেলগ। মেয়েদের সাক্ষরতার হার বাড়ানোর উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র মেয়েদের জন্যই তৈরি করা হয় স্কুলটি। ২০২০ সালে ভারতের স্থাপত্য, শিল্প ও নকশাবিষয়ক শীর্ষস্থানীয় সংস্থা আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট ইন্ডিয়া এ ভবনটির ‘বিল্ডিং অফ দ্য ইয়ার’ নামকরণ করে।

পরিবেশবান্ধব ভবনটি ২০২১ সালে খোলা হয়। কেলগ জানান, বর্তমানে ১২০ জন মেয়ের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রীষ্মের উচ্চতায় শহরটির তাপমাত্রা ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) থাকে। কিন্তু এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় অনেকটা শীতল থাকে। কারণ ভবনের ভেতরের দেওয়ালগুলো চুন দিয়ে প্লাস্টার করা। ছিদ্রযুক্ত ও প্রাকৃতিক শীতলীকরণের উপাদান দিয়ে তৈরি। ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ছাড়াই স্কুলের ভেতরের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকে।