ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২৫/০৭/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২৮ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯২৭৪ জন, নতুন ১১২৯১ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১৬৪৬৩৫ জন। নতুন ১০৫৪৮ জন সহ মোট সুস্থ ৯৯৮৯২৩ জন। একদিনে ৩৭৫৮৭ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৭৪৫৫২৮১।
  • সোমবার   ২৬ জুলাই ২০২১ ||

  • শ্রাবণ ১১ ১৪২৮

  • || ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
ব্রুনাইয়ের সুলতানকে ‘হাড়িভাঙ্গা’ আম পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ৩১ জুলাই চালু হচ্ছে বিএসএমএমইউ ফিল্ড হাসপাতাল প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভেন্টিলেটর সংগ্রহ ২৮ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তি শুরু অনলাইনে ভিসা সেবা দিবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৬ জুলাই, কবি ও সুরকার রজনীকান্ত সেনের জন্মদিন ‘তিন’ ট্রফি নিয়েই দেশে ফিরছে টাইগাররা মেঘনায় ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অব্যাহত থাকবে

২২৩ কোটি টাকায় কেনা জাহাজ ভাঙা হবে চট্রগ্রামে

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২১  

সৌদি আরবের ২৫ বছরের পরিত্যাক্ত তেল পরিবহনকারী একটি পুরোনো জাহাজ ভাঙার জন্য আমদানি করা হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায়। পুরোনো হলেও  এর জন্য খরচ করতে হয়েছে ২২৩ কোটি টাকা। যদিও গত এক দশকে এত দামে পুরোনো কোনো জাহাজ আমদানির রেকর্ড নেই বলে শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র প্রথম আলোয় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্যে উঠে এসেছে।

জাহাজটি লম্বায় ৯৭ তলা উঁচু ভবনের মতো অর্থাৎ ৩৪০ মিটার। আর আয়তনে কোপা আমেরিকায় যে মাঠে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলা হয়েছে সেটির মতো তিনটি মাঠের সমান অর্থাৎ ১৯ হাজার বর্গমিটার।

চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের পারিবারিক শিল্পগ্রুপ মোস্তফা হাকিম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এইচ এম শিপব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড জাহাজটি ক্রয় করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত বিশ্বে এই ধরনের পুরোনো জাহাজ বিক্রি হয়েছে মাত্র ১১টি। তারা জাহাজটির আমদানির জন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২০৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা দিয়েছে। আর শুল্ককর দিতে হয়েছে ১৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

এতো দাম দিয়ে জাহাজটি কেনা হলেও এটি কেটেকুটে যে লোহা এবং অন্যান্য দ্রব্যাদি পাওয়া যাবে তা বিক্রি করেই পুরো খরচ ওঠানো হবে। খরচের চেয়ে বাড়তি যা পাওয়া যাবে, তা উঠবে লাভের খাতায়। এই  জাহাজটি কেটে ৪৮ হাজার ৮৭ টন লোহা পাওয়া যাবে। এ ধরনের পরিত্যাক্ত পুরোনো জাহাজগুলো মূলত লোহার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে ক্রয় বিক্রয় হয়। এর আগে লোহার দাম কম থাকায় একই ধরনের জাহাজ তারা ১৮০ কোটি টাকায় কিনেছিল। বর্তমানে বিশ্ববাজারে লোহার দাম বেশি হওয়া ৪৩ কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হয়েছে।  এইচ এম শিপইয়ার্ডের ৫০০ কর্মী জাহাজটি ভাঙার কাজ শুরু করেছে। তারা ৯ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে বিশাল এ জাহাজ ভাঙার কাজ শেষ করতে চায়। পুরোনো জাহাজটির পেছনে আছে প্রায় ৭৩ টন ওজনের প্রপেলার বা পাখা। এই প্রপেলার চালানোর জন্য আছে ৩৩ হাজার ৬০০ অশ্বশক্তির (বিএইচপি) ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ৭০ বার ঘোরাতে পারে এই প্রপেলার। পুরোনো এই প্রপেলারের এখনো বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। ইঞ্জিন ব্যবহার করা না গেলেও কেটেকুটে বিক্রি করা যাবে বেশ ভালো দামে। আবার ইঞ্জিন চালানোর জন্য আছে পাঁচটি জেনারেটর। সেগুলো হয়তো জেনারেটর হিসেবেই বিক্রি করা যাবে। এ রকম মূল্যবান নানা পণ্য আছে জাহাজটিতে।

মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক মো. সারোয়ার আলম জানা, কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে এ বছর চালু হওয়া এইচ এম স্টিল এবং সীতাকুণ্ডের গোল্ডেন ইস্পাত—আমাদের এ দুটি কারখানায় এই জাহাজের গলনশীল লোহা ব্যবহার হবে। বাকি পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি তামা, পিতল, কপারের মতো বেশ কিছু মূল্যবান পণ্য রপ্তানি করা হবে।

উল্লেখ্য, এ ধরনের নতুন জাহাজের দাম এখন প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডলার বা ৮০০ কোটি টাকার কমবেশি। আবার এ ধরনের জাহাজের প্রতিদিনের ভাড়া ৩৬ হাজার ডলার।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা