ঢাকা,  শনিবার  ২২ জুন ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

এবার প্রতারণার নতুন ফাঁদ, টার্গেট বয়স্করা

প্রকাশিত: ১৬:৩০, ৬ জুন ২০২৪

এবার প্রতারণার নতুন ফাঁদ, টার্গেট বয়স্করা

ফাইল ছবি

দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে প্রতারণা। নানা ধরনের প্রতারণার ফাঁদ পেতে চারদিকে ওঁৎ পেতে রয়েছে প্রতারক চক্র। এমন কোনো খাত নেই যেখানে তারা জাল বিস্তার করেনি। মোবাইল ব্যাংকিং থেকে শুরু করে অনলাইনে পণ্য বিক্রি, চাকরির প্রলোভন এমনকি কথিত তন্ত্রমন্ত্র সাধনার নামে সিদ্ধিলাভ সর্বত্রই প্রতারণা। আর এই ফাদে পা দিয়ে নিঃস্ব হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ডাক্তার, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ নানা পেশার মানুষ। তবে প্রতারকরা এবার টার্গেট হিসেবে বেছে নিয়েছে বয়স্কদের।

এই ধরনের জালিয়াতিতে প্রতারকরা নাতি-নাতনি হওয়ার ভান ধরে টার্গেটকৃত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারপর বিশ্বাস করায় সেই ব্যক্তি কোনো সমস্যায় আছেন এবং তার টাকার ভীষণ প্রয়োজন। এরপর প্রতারকরা ব্যক্তিটির আস্থা অর্জনের জন্য গাড়ি দুর্ঘটনা, মেডিক্যাল ইমারজেন্সি বা বিদেশে গ্রেপ্তারের মতো একাধিক কারণ দেখায়। আবার এই বিষয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা করতেও নিষেধ করে দেয়। এরপরই তারা অনলাইনে টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানায়।

যদি কোনো বয়স্ক ব্যক্তি হঠাৎ দীর্ঘ সময় পর তার নাতি-নাতনিদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্যের জন্য অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন পান, তাহলে তাদের বুঝতে হবে এটি একটি প্রতারণামূলক ফোন। কারণ যেকোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে সন্তানেরা প্রথমে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তাই এই ধরনের ফোন এলে সতর্ক থাকতে হবে।

এছাড়াও এই ধরনের কেলেঙ্কারিতে স্ক্যামাররা ফোন করার পরে জরুরি পরিস্থিতির কথা জানিয়ে সেই মুহূর্তেই টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিতে থাকে। তাই এমন হলে কখনোই তাড়াহুড়া করে অনলাইনে টাকা দিবেন না। ফোন করা ব্যক্তির সত্যতা যাচাই করে তারপর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

যেভাবে নিজেকে এই ধরনের বিপদ থেকে নিরাপদ রাখবেন:

১. প্রতারণা থেকে নিরাপদে থাকতে হলে, অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য চাওয়া ফোন পাওয়া মাত্রই পরিবারকে জানান।

২. ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কখনোই কাউকে বিশ্বাস করে টাকা পাঠাবেন না।

৩. অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসলে তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত এবং ব্যাংকিং তথ্য শেয়ার করবেন না।

৪. এই ধরনের কেলেঙ্কারির শিকার হলে দ্রুত স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।