ঢাকা,  শনিবার  ২০ জুলাই ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

ক্রিকেট ম্যাচে বাজি ধরে নিষিদ্ধ হলেন ইংলিশ পেসার

প্রকাশিত: ২২:৩০, ৩ জুন ২০২৪

ক্রিকেট ম্যাচে বাজি ধরে নিষিদ্ধ হলেন ইংলিশ পেসার

সংগৃহীত ছবি

ঘটনা আজ থেকে প্রায় ৫-৭ বছর আগের। তখন ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ক্রিকেট ম্যাচে মোট ৩০৩টি বাজি ধরেছিলেন কার্স। তবে এসব ম্যাচে খেলেননি বাঁহাতি এই ইংলিশ পেসার। সেসব এখন আলোয় এসেছে এবং প্রমাণিতও হয়েছে। শাস্তিও পেতে হচ্ছে ২৮ বছর বয়সী ইংলিশ ক্রিকেটারকে। ১৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বাঁহাতি এই পেসারকে। এর মধ্যে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা আছে ১৩ মাসের।

সাম্প্রতিক সময়ে তার বিরুদ্ধে ক্রিকেটের দুর্নীতিবিরোধী নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’। এই সংস্থাটি ইসিবির অধীনে স্বাধীন একটি সংস্থা যাদের কাজ হচ্ছে ক্রিকেটের নিয়মনীতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ করা এবং নিয়মনীতির প্রতি সবার আনুগত্য জোরদার করা। ২৮ বছর বয়সী কার্সকে নিয়ে তদন্তও করেছে ‘ক্রিকেট রেগুলেটর’। তাদের কাছে দোষ স্বীকার করেন কার্স।

ক্রিকেট রেগুলেটর’ বিবৃতিতে বলেছে, ‘তদন্তের কাজে কার্স আমাদের সহযোগিতা করেছেন এবং কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করেছেন। বিষয়টি আমরা বিবেচনা করেছি।’

ক্রিকেটের দুর্নীতিবিরোধী একটি ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, পেশাদার কোনো খেলোয়াড় বা কোচ বা কোচিং স্টাফের সদস্য এবং খেলাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যে কেউ বিশ্বের কোথাও বাজি ধরতে পারবেন না। এই নিয়মেই খেলা থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪টি ওয়ানডে এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলা কার্সকে। বোর্ডের সবশেষ দুই বছরের কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও আছেন তিনি। নিকট ভবিষ্যতে তিন সংস্করণেই সম্ভাবনাময় পেসারদের একজন মনে করা হয় তাকে।

এদিকে দুঃখ প্রকাশ করে কার্স বলেন, 'বাজিগুলো কয়েক বছর আগে ধরলেও এটিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাই না। আমি আমার কার্যকলাপের সব দায় (মাথা পেতে) নিচ্ছি। এই কঠিন সময়ে আমাকে সমর্থন দেওয়ায় আমি ইসিবি, ডারহাম এবং প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আগামী ১২ সপ্তাহ আমি কঠোর পরিশ্রম করব এবং এটা নিশ্চিত করছি, আপনারা আমাকে যে সমর্থন দিচ্ছেন, তা আবারও খেলতে নেমে শোধ করব।'

ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে কার্স খেলেন ডারহামের হয়ে। তার বাজিগুলোর বেশ কিছু ছিল ডারহামের ম্যাচে। তবে ওই ম্যাচগুলিসহ বাজি ধরা কোনো ম্যাচেই কার্স নিজে খেলেননি। এজন্য খুব গুরুতর শাস্তি তাকে পেতে হয়নি। এছাড়াও দায় স্বীকার করে অনুতপ্ত হওয়া ও তদন্তে সহায়তা করাতেও তার শাস্তির মাত্রা কম হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, নিজে না খেললেও কোনো ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্ট স্টাফের সদস্যা কিংবা দল সংশ্লিষ্ট কেউ কোথাও কোনো বাজি ধরতে পারবেন না।