ঢাকা,  সোমবার  ২২ জুলাই ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

যেসব অভ্যাস থেকে দূরে থাকলে ভালো থাকবে আপনার কিডনি

প্রকাশিত: ১১:১০, ৯ জুলাই ২০২৪

যেসব অভ্যাস থেকে দূরে থাকলে ভালো থাকবে আপনার কিডনি

ফাইল ছবি

কিডনির অসুখের সমস‍্যা ইদানিং বেড়ে গেছে। কিডনিতে পাথর, পানি জমে যাওয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। দৈনন্দিন জীবনের অনিয়ম কিডনির অসুখ ডেকে আনে। নিয়মিত বাইরের খাবার খাওয়া, পানি কম খেলে, তেল-মশলাজাতীয় খাবার খাওয়ার অভ‍্যাসে কিডনি খারাপ হতে থাকে। দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে কিডনি ভালো না রাখলে চলবে না। কিডনির ভালমন্দের ওপর নির্ভর করে সার্বিক সুস্থতা। তাই কিডনি ভালো রাখতে নিজেকে কিছু নিয়মে বাঁধতে হবে। কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই আলাদা করে নিজের যত্ন নেওয়ার সুযোগ পান না। আর তাতেই বাড়ে বিপত্তি। জেনে নিন, কোন কোন অভ্যাস থেকে দূরে থাকলেই ভালো থাকবে আপনার কিডনি।

১) পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। সাধারণত যেকোনো সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানির প্রয়োজন হয়। তাই শরীরের প্রয়োজন কতটুকু, সেই পরামর্শ নিয়ে রাখুন চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে। সেই অনুপাতে পানি পান করুন। শরীরে কোনো ক্রনিক অসুখ থাকলে পানি খাওয়ার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আনা জরুরি। সেক্ষেত্রে পানি বেশি পান করলে কিন্তু কিডনির সমস্যা বাড়তে পারে।

২) কিডনিতে সংক্রমণের অন্যতম কারণ হলো প্রস্রাব চেপে রাখা। সাধারণত রাস্তাঘাটে বা অনেক সময়ে বাড়িতে থাকলেও কাজের চাপের কারণে অনেকে প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখেন। এই অভ্যাসের কারণে মূত্রনালিতে চাপ পড়ে, তাতেই ক্ষতি হয় কিডনির। বেশিক্ষণ প্রস্রাব ধরে রাখার ফলে কিডনির শারীরবৃত্তীয় কাজ সারতে সমস্যা হয় ও দীর্ঘসময় ধরে টক্সিন ধরে রাখায় শরীরে সংক্রমণ ঘটে।

৩) উচ্চমাত্রায় ডায়াবেটিস সরাসরি কিডনির ক্ষতি করে। তাই সব সময় চেষ্টা করুন ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। কিডনি ভালো রাখতে ডায়াবিটিস প্রতিরোধ প্রয়োজন। এজন্য রোজ নিয়ম করে হাঁটাহাঁটি, শরীরচর্চা আর খাবারে নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি।

৪) মুঠো মুঠো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকে অনেকেরই। অতিরিক্ত মাত্রায় এই ধরনের ওষুধ কিন্তু কিডনির নানা সমস্যা তৈরি করে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।
 
৫) ওজন বেশি হয়ে গেলেও কিন্তু কিডনির ওপর চাপ পড়ে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা কিন্তু ভীষণ জরুরি। রোজ ডায়েট ও শরীরচর্চার মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার অভ্যাস শুরু করতে হবে।