ঢাকা,  সোমবার  ২২ জুলাই ২০২৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

আবারো দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন সিরিল রামাফোসা

প্রকাশিত: ০২:০৮, ১৬ জুন ২০২৪

আবারো দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন সিরিল রামাফোসা

সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন সিরিল রামাফোসা।

সম্প্রতি দেশটির সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে নেলসন ম্যান্ডেলার দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)। তাই শুক্রবার দেশটিতে তিন দশকের মধ্যে এই প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতে পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে অংশ নিচ্ছেন আইনপ্রণেতারা।

জানা গেছে, শুক্রবার রামাফোসার ক্ষমতাসীন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি) ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি যুগান্তকারী জোট চুক্তি হয়। এই চুক্তিতে এএনসি, প্রধান বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (ডিএ) ও অন্য ছোট দলগুলো সই করেছে। চুক্তির পরপরই সংসদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট হয়।

বিজয়ী ভাষণে রামাফোসা নতুন জোটকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাদের দেশের সবার ভালোর জন্য নেতারা একসঙ্গে কাজ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা করেন ভোটাররা।

গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে ৩০ বছর পর সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় রামাফোসার এএনসি। এরপর টানা দুই সপ্তাহ ধরে অন্য দলগুলোর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় চালায় দলটি। দীর্ঘ এই দরকষাকষি শেষে রামাফোসাকে সমর্থন দেয়ার পক্ষে মত দেয় দ্বিতীয় বড় দল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (ডিএ)।

ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (ডিএ) এর প্রধান জন স্টিনহুইসেন জানান, তার দল আনুষ্ঠানিকভাবে এএনসির সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। এই চুক্তির অংশ হিসেবে তারা রামাফোসাকে দেশের প্রেসিডেন্ট সমর্থন করেন।

এর আগে গত ২৯ মে দক্ষিণ আফ্রিকায় সাধারণ নির্বাচনের ভোট হয়। এতে এএনসি ৪০ শতাংশ এবং ডিএ ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ছোট দলগুলো বাকি ভোট পেয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৯৪ সালে সব দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে এএনসি। তখন থেকে এ পর্যন্ত দলটিকে ক্ষমতায় থাকতে এতটা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়তে হয়নি। ওই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে শ্বেত বর্ণবাদী শাসনের অবসান ঘটেছিল।

এর পর থেকে আইনসভায় বরাবর সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখছিল এএনসি। যার অর্থ, দীর্ঘ এতটা বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করাটা ছিল আনুষ্ঠানিকতামাত্র। অবশ্য এবারের সাধারণ নির্বাচনে ওই দৃশ্যপট বদলে গেছে। নির্বাচনে দলটি ভোট পেয়েছে ৪০ শতাংশের মতো। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছে ডিএ। স্বাভাবিকভাবে জোট সরকার গঠনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হয়ে উঠেছে তারা।