বুধবার  ০৫ অক্টোবর ২০২২,   আশ্বিন ১৯ ১৪২৯,  ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

ঢাকার দুই সিটিতে সাড়ে ১২ শতাংশ বাড়িতে এডিসের লার্ভা

প্রকাশিত: ২১:৪৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

ঢাকার দুই সিটিতে সাড়ে ১২ শতাংশ বাড়িতে এডিসের লার্ভা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার প্রকাশিত বর্ষাকালীন মশা জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার ১৩ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় এ লার্ভা পাওয়া গেছে ১২ শতাংশ বাড়িতে। দুই সিটি করপোরেশন মিলে সাড়ে ১২ শতাংশ বাড়িতে এ লার্ভা পাওয়া যায়।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার প্রকাশিত বর্ষাকালীন মশা জরিপে এ তথ্য উঠে আসে। রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে প্রাক বর্ষা, বর্ষা ও বর্ষা পরবর্তী মোট তিনবার এ জরিপ চালায়।

জরিপে দেখা গেছে, দুই সিটিতে পড়ে থাকা বা ফেলে রাখা ভেজা পাত্রে সবচেয়ে বেশি মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এছাড়াও ঘর বা ভবনের মেঝে প্লাস্টিকের ড্রাম বা প্লাস্টিকের নানা ধরনের পাত্রেও এ লার্ভা পাওয়া যায়। ঢাকা দক্ষিণ করপোরেশনের ২৬ শতাংশ এ ধরনের পাত্রে ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২২ শতাংশ পাত্রে মশার এ লার্ভা পাওয়া গেছে।

১১ থেকে ২৩ আগস্ট দুই করপোরেশনে এ জরিপ হয়। জরিপে দুই সিটি করপোরেশনের ৩ হাজার ১৪৯টি বাড়ি পরিদর্শন করেন জরিপকারীরা। পরিদর্শনের সময় তারা মশা বা মশার লার্ভা থাকতে পারে, এমন সব জায়গা ও পাত্র পরীক্ষা করে দেখেন।

জরিপকারীরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬২টি ওয়ার্ডে মোট এক হাজার ৮৩০টি বাড়ি পরীক্ষা করেছেন। এসব বাড়িতে তারা মোট এক হাজার ৩৩৭টি ভেজা পাত্র দেখেছিলেন। তারা প্রায় ১২ শতাংশ বাড়িতে মশার লার্ভা পেয়েছেন।

অন্যদিকে প্রায় ২২ শতাংশ ভেজা পাত্রে মশার লার্ভা ছিল। মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ৮ নম্বর ওয়ার্ড (কমলাপুর ও মতিঝিল), ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড (নবাবপুর ও বংশাল) এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে (ওয়ারী ও নারিন্দা)।