বৃহস্পতিবার  ১১ আগস্ট ২০২২,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯,  ১৩ মুহররম ১৪৪৪

Gazipur Kotha | গাজীপুর কথা

এমপিওভুক্তি : স্কুল-কলেজের আপিল শুনানির ফল ১৫ দিনের মধ্যে

প্রকাশিত: ১৭:২৩, ৫ আগস্ট ২০২২

এমপিওভুক্তি : স্কুল-কলেজের আপিল শুনানির ফল ১৫ দিনের মধ্যে

এমপিওভুক্তি

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এমপিওভুক্ত হতে আপিল করা স্কুল-কলেজের শুনানির ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। গত ২ থেকে ৪ আগস্ট তিন দিন আপিল করা ১ হাজার ৫৫৪টি স্কুল-কলেজের শুনানি নেয়া হয়েছে।১ হাজার ৭২৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আপিল আবেদন করলেও ১৭১টি স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষ আপিল শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, শুনানিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক উপস্থিত ছিলেন। তিনি আপিল শুনানি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। 
 বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর আলোকে সারা দেশের  বিভিন্ন স্তরের বেসরকারি স্কুল ও কলেজ এমপিওভুক্তির জন্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে অনলাইনে ১০ থেকে ৩১ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। অনলাইনে ৪ হাজার ৭২৯ টি আবেদন পাওয়া যায়। 

যাচাই বাছাই শেষে এমপিও প্রাপ্তির জন্য যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৬৬৬টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১ হাজার ১২২টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৩৬টি, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ১০৯টি এবং ডিগ্রি কলেজ ১৮টি সর্বমোট ২ হাজার ৫১টি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তির জন্য গত ৬ জুলাই আদেশ জারি করা হয়। অবশিষ্ট ২ হাজার ৬৭৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়নি। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হয়নি; সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নীতিমালার ১৬.৪ ধারা অনুযায়ী আপিল আবেদনের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আপিল আবেদন গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত ছিল ২১ জুলাই পর্যন্ত। 

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশ থেকে সর্বমোট ১ হাজার ৭২৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আপিল আবেদন পাওয়া যায়। আপিল শুনানিতে ১ হাজার ৭২৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১ হাজার ৫৫৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে এবং ১৭১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আপিল শুনানিতে অনুপস্থিত থাকে।