• রোববার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৪ ১৪২৮

  • || ১২ সফর ১৪৪৩

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

জামায়াত নেতা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এক সাবেক সেনাসদস্য।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর অক্সিজেন এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ আনেন সাবেক সেনা সদস্য বেদারুল হক চৌধুরী। অভিযুক্ত জামায়াত নেতার নাম কাজী নুর মোহাম্মদ এবং তার স্ত্রীর নাম ফরিদা খানম। তাদের বাড়ি বাঁশখালীর শীলকূপে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বেদারুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বর্তমানে ৩ ভাই ৪ বোন। বোনেরা শ্বশুরবাড়িতে থাকে। ১৯৯৯ সালে বাবার মৃত্যু হয়। আমার মা বয়োবৃদ্ধ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি আমার মা একটি জায়গা বিক্রি করে ৪০ লাখ ২৮ হাজার পান। মা জায়গা বিক্রির টাকাগুলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের বাঁশখালী শাখায় জমা রেখে চেক বই গ্রহণ করেন। মায়ের টাকার ওপর বড় বোন ফরিদা ও তার স্বামী জামায়াত রোকন কাজী নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে শাহরিয়ারের কুদৃষ্টি পড়ে। তারা অসুস্থ মাকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ৩০ হাজার টাকা ধার নেয়ার কথা বলে একটি ব্ল্যাঙ্ক চেকে টিপসই নিয়ে নেয়। পরে চেক ভুল হয়েছে বলে আরও দুটি ব্ল্যাঙ্ক চেকে টিপসই নেয়।
তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে তারা মাকে ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে ৩৬ লাখ টাকা ফরিদা খানকের একাউন্টে ট্রান্সফার করে নেয়। কিছুদিন পর আমি মায়ের টাকাগুলো এফডিআর করতে ব্যাংক অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে গেলে একাউন্টে ব্যালেন্স দেখতে পাই মায়ের ৪০ লাখ ২৮ হাজার টাকার স্থলে মাত্র ২ লাখ টাকা আছে। পরে যাচাই করে দেখি টাকাগুলো ফরিদা খানমের একাউন্টে ট্রান্সফার করে নেওয়া হয়েছে।’
বেদারুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি মা শুনলে তিনি হার্টঅ্যাটাক করেন। পরে মাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করি। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর মা তাদের বিরুদ্ধে বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করে। মামলাটি বাঁশখালী থানাকে তদন্ত দিলে থানা তদন্ত করে সত্যতা পায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরে থানা দুই পক্ষকে ডাকলে ফরিদা গং টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে স্বীকার করে এবং ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করে। পরে বাকি টাকাগুলো চাইতে গেলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-দমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতাই ভুগছি।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেদারুল হক চৌধুরীর বড় ভাই দিদারুল হক চৌধুরী, তার ছেলে এম মুসফিকুল হক চৌধুরী ও রবিউল ইসলাম।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা