ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২২/০৬/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭৬ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭০২ জন, নতুন ৪৮৪৬ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৬১১৫০ জন। নতুন ২৯০৩ জন সহ মোট সুস্থ ৭৮৮৩৮৫ জন । একদিনে ২৫০২৮ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৬৩৭৬৮১৯।
  • বুধবার   ২৩ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
টিকা তৈরিতে সক্ষম দেশগুলোর বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাজধানী ঢাকা এডিবি ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে ‘জুলাই থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ২০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা’ গাজীপুরের প্রবেশমুখ গুলোতে পুলিশের কড়াকড়ি,ঢাকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রিজার্ভ ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

শ্রীপুরের শিক্ষক আফাজ উদ্দিন মিশ্র ফলের বাগান করে সফল

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ৮ জুন ২০২১  

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় মিশ্র ফলের বাগান করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার আফাজ উদ্দিন বিএসসি। তিনি উপজেলার আলহাজ্ব নওয়াব আলী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। পেশা শিক্ষকতা হলেও মনেপ্রাণে ভালোবাসেন বাংলার প্রকৃতি। শখের বসে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বিধাই গ্রামের বাড়িতে ১২ বিঘা জমিতে “বসন্ত গালিচা” নামক মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন। বাগানে বিভিন্ন জাতের কয়েক শতাধিক ফলের গাছ রয়েছে। ইতিমধ্যে সব ধরনের ফল গাছ থেকে ভালো ফলন পেয়েছেন।

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির মিশ্র ফল বাগান করে এলাকার অন্য কৃষকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তার বাগান দেখতে এবং মিশ্র ফল বাগান গড়ে তোলার পরামর্শ নিতে আসছেন বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষক।

২০১৭ সালে জমিতে আম্রপালি, আশ্বিনা, বারি-৪ ও গৌড়মতি জাতসহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের গাছ লাগান। বল সুন্দরী, কাশ্মেরী আপেল, বেবি কুল, সেডলেস ও থাইকুল জাতের বরইগাছের চারা ও নরসিংদীর বিখ্যাত লটকন ফলের চারা রোপণ করেন। এছাড়াও বাগানে দেশি-বিদেশি মাল্টা, আপেলসহ কমলা লেবুর চারা রোপণ করেছেন।

আফাজ উদ্দিন জানান, ২০১৭ সালে নিজের উদ্যোগে শুরু করেন। বাগানে প্রায় কয়েক লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন তিনি। ভবিষ্যৎতে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের বছরজুড়ে কাজ করার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও জানান, অন্যান্য ফসলের তুলনায় মিশ্র ফল চাষ অধিক লাভজনক। মিশ্র বাগানে তেমন কোনো পরিচর্যা করতে হয় না। প্রথমে গাছ লাগানো এবং জমি তৈরির পর কীটনাশক ও যৎসামান্য পরিচর্যা ছাড়া কঠিন কোনো পরিচর্যা করতে হয় না। চাকরির পেছনে না ছুটে শিক্ষিত বেকার যুবকরা যদি নিজে কিছু করার উদ্যোগ নেয় তাহলে সফল হবেই। তিনি বলেন, ‘পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির মধ্যে বারো বিঘা জমিতে বাগান করেছি। বাগান করে সফলতা পাওয়ায় বর্তমানে নিজের মালিকানায় উপজেলার টেংরা গ্রামেও বাড়ির আঙ্গিনায় ফলের বাগান করেছি। সেখানেই পরিবার নিয়ে থাকি। সম্প্রতি বাগান পরিদর্শনে গিয়েছেন মোক্তার হোসেন, টি.আই সানি, এস এম জহিরুল ইসলাম ও মোঃ শাহাদাত হোসাইন তারা উপজেলায় কর্মরত সংবাদকর্মী।

মোক্তার হোসেন বলেন, ‘নির্ভেজাল রাসায়নিক মুক্ত বসন্ত গালিচা মিশ্র ফলের বাগান। দুই বছর ধরে এ বাগান থেকেই ফল সংগ্রহ করছি। এখান থেকে ফল সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আরাম-আয়েশে খেতে পারছি।’

শ্রীপুর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের মাঝে মিশ্র ফলের বাগান চাষে আগ্রহ বাড়ছে। আমরাও সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করছি।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা