ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ১৭/০৪/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১০১ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ২৮৩ জন, নতুন ৩ হাজার ৪৭৩ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। নতুন ৫ হাজার ৯০৭ জন সহ মোট সুস্থ ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন । একদিনে ১৬ হাজার ১৮৫টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৫১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৩ টি।
  • রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৪ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা কিংবদন্তী অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ। ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর দিবস, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের এক চির ভাস্বর অবিস্মরণীয় দিন দেশ গঠনে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করুন: রাষ্ট্রপতি মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ই-পোস্টার প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাবে ৩৬ লাখ পরিবার ১৭ এপ্রিল থেকে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট করোনা রোগীর সহায়তায় বিমান বাহিনীর জরুরি সেবা করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে ২৫০০ টাকা দেয়ার উদ্যোগ করোনামুক্ত হওয়ার ২৮ দিন পর টিকা নেওয়া যাবে

শরীরে ঘুনপোকা ‘অস্টিওপোরোসিস’ বাসা বেধেছে, যেভাবে বুঝবেন

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  

শরীরের ঘুনপোকা নামে বিবেচিত অস্টিওপোরোসিস রোগটি হাড় খেয়ে ফেলে! এতে আক্রান্ত ব্যক্তি দাঁড়াতেও পারেন না। আবার আক্রান্ত পা অন্য পায়ের চেয়ে কিছুটা খাটো হয়ে যায়। 
মেরুদণ্ডের হাড় ভাঙলে পিঠে বা কোমরে ব্যথা হয় এবং রোগী সামনে কিছুটা কুঁজো হয়ে যান। এ রোগে হাতের কব্জিও ভাঙতে পারে।

বুঝবেন যেভাবে

যদি সামান্য উচ্চতা থেকে পড়ে বা অল্প আঘাতে কারও হাড়, বিশেষ করে মেরুদণ্ড, কব্জি, কুঁচকি, রান ও পাঁজরের হাড় ভেঙে যায়, তবে তার অস্টিওপোরোসিস আছে বলে ধরে নিতে হবে। 

তাছাড়া ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের হাড়ের ঘনত্ব পরিমাপ করেও অস্টিওপোরোসিস নির্ণয় করা যায়। এফআরএএক্স নামের অনলাইনভিত্তিক অ্যাপের সাহায্যে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি নিরূপণ সম্ভব। এই অ্যাপের বাংলা ভার্সনও রয়েছে।

রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ঝুঁকি শনাক্ত করা ও তা রোধ করা প্রথম পদক্ষেপ। জীবনধারায় পরিবর্তন, কায়িক শ্রম, নিয়মিত ব্যায়াম, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। 

ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের প্রয়োজনে ঝুঁকি চিহ্নিত করে চিকিৎসা নেয়া উচিত। কারণ একবার হাড় ভেঙে গেলে যেসব জটিলতার সৃষ্টি হয়, তার ব্যাপকতা অনেক। বয়স্ক ব্যক্তিদের অচল, শয্যাশায়ী বা কর্মক্ষমতাহীন হয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হাড় ভেঙে যাওয়া। 

এতে প্রবীণদের মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ে। কাজেই অস্টিওপোরোসিস সন্দেহ হলেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসক রোগীর প্রকৃতি ও রোগের মাত্রা বুঝে প্রয়োজনীয় ওষুধ বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেবেন।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা