ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে টিকা নিয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৭৫২ জন। সবমিলিয়ে টিকা গ্রহীতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ১০ হাজার ৫২৫ জন। করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২৮/০২/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ০৮ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪০৮, নতুন ৩৮৫ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৬২১৬ জন। নতুন ৮১৭ জন সহ মোট সুস্থ ৪৯৬৯২৪ জন। একদিনে ১৩৪১১টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৪০৪৪০২৭টি।
  • সোমবার   ০১ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৬ ১৪২৭

  • || ১৭ রজব ১৪৪২

সর্বশেষ:
বিত্তশালীদেরও শিক্ষাসহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আধুনিক বিশ্বের মতো উন্নত বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যাচ্ছে দেশ দেশে করোনা টিকা নিয়েছেন প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ৩০ মার্চ খুলে দেওয়া হবে দেশের সব স্কুল ও কলেজ : শিক্ষামন্ত্রী ২৮ ফেব্রুয়ারি, পপ সম্রাট বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খানের জন্মদিন করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রশংসা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পঞ্চম ধাপে ২৯ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে বাংলাদেশ থেকে ১২ হাজার কর্মী নেবে সিঙ্গাপুর, রোমানিয়া গাজীপুরের কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে আশার ঝলক বন্ডের বাজার রমরমা ॥ রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লুটপাট ঠেকাতে বলেছেন হাইকোর্ট ডুয়েটে ‘রিসার্চ প্রোপোজাল,পাবলিকেশন অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন’ কর্মশালা ভালুকায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের আঞ্চলিক শাখা কমিটি গঠিত কাপাসিয়ায় ঘর পেল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২ পরিবার

রহস্যময়ভাবে গড়িয়ে পড়ছে রক্তের স্রোতধারা!

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

অ্যান্টার্কটিকায় ‘ব্লাড ফলস’ এর নাম হয়তো অনেকেরই জানা আছে। চারপাশে সাদা বরফের পাহাড়। এর মাঝ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্তপ্রপাত। এ বিস্ময়কর দৃশ্য দেখতে অনেক মানুষ সেখানে ভিড় জমান।

এ পাহাড়টি অবস্থিত পৃথিবীর একেবারে দক্ষিণ মেরু অর্থাৎ অ্যান্টার্কটিকায়। একেই জায়গাটি অত্যন্ত দুর্গম তার উপর তার প্রকৃতির অপার রহস্য লুকিয়ে রয়েছে স্থানটিতে। এ কারণেই ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ বাড়ায় এ পাহাড়টি।

১৯৩১ সালে প্রথম এ দৃশ্যটি আবিষ্কৃত হয়। এরপর বহু বিজ্ঞানীরা লাল রঙের পানির উৎস খুঁজেছেন। এরপর ২০১১ সালে একদল অভিযাত্রী এ পাহাড়ের রহস্য উদ্ভাবন করেন। সেখানে তারা দেখেন, অদ্ভুত এ জলপ্রপাতটি বাস্তবেই বিদ্যমান।

যুগে যুগে অনেক বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে এর ব্যাখ্যা করেছেন। প্রথম দিকে বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন, কোনো লাল রঙা শ্যাওলার কারণে হয় পানির রং রক্তবর্ণ দেখায়। তবে বিষয়টি ঠিক নয়। আনুমানিক ২০ লাখ বছর আগে সৃষ্টি হয় এ রক্তের ঝর্ণার।

এর উৎসস্থল টমাস গ্লেসিয়া। টেলর হিমবাহ গলে এ রক্তপ্রপাতের পানি গড়িয়ে পড়ে। রক্তবর্ণ এ পানির গন্ধও না-কি রক্তের মতোই। তবে আলাক্সা ফোয়ারব্যাংকস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত লবণাক্ত পানিতে আয়রন থাকায় তা অক্সিডাইজড হয়ে যায়।

একই প্রক্রিয়ায় লোহায় লাল রঙের মরিচা ধরে। লবণাক্ত পানি যখন অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসে তখন এর বর্ণ লাল রং ধারণ করে। গবেষকদের মতে, হিমবাহ বিস্ফোরণের মাধ্যমে বিভিন্ন শাখা-উপশাখা তৈরি হয়ে রক্তপ্রপাতে পৌঁছানোর কার্যক্রম অন্তত দেড় মিলিয়ন বছর ধরে হয়েছে।

মজার বিষয় হলো, এ ব্লাড ফলসটিতে এমন এক জীবাণু রয়েছে যা চরম অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে। এ মাইক্রোবিয়াল সম্প্রদায়গুলো পানিতে থাকা সালফেটের মাধ্যমে শক্তি তৈরি করে। মানুষ যেভাবে খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে; ঠিক সেভাবেই অক্সিজেন ব্যবহারের পরিবর্তে এই জীবাণুগুলো সালফেট ব্যবহার করে বেঁচে থাকে।

যদিও বিজ্ঞানীরা বলছেন, সালফার আর আয়রনের কারণেই না-কি রক্তবর্ণ ধারণ করেছে জলপ্রপাতটি। তবে আরেকটি প্রশ্নও উঠছে তা হলো- জনমানবশূন্য এই অঞ্চলে এতো লৌহ আকরিক এসেছে কীভাবে?

ব্যাখ্যা বা যুক্তি যা-ই থাকুক না কেন, জলপ্রপাতটি বাস্তবে দেখতে যে ভয়ংকর সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এটি দেখলে মনে হবে রক্তের সমুদ্র বয়ে চলেছে। আবার এর পাশে বেশ কিছু ভয়ংকর জলজ ও স্থলজ প্রাণীর উপস্থিতি স্থানটিকে আরো রহস্যময় ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

গাজীপুর কথা