ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২৮/১০/২০২০: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৬১, নতুন ১৪৯৩ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪০৩০৭৯ জন। নতুন ১৬১০ জনসহ মোট সুস্থ ৩১৯৭৩৩ জন। একদিনে ১৩৩৫৭ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ২২৯৬৩২১ টি।
  • বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৩ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
করোনায় সশস্ত্রবাহিনী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী ধর্ম নিয়ে কটুক্তি, নোবিপ্রবির ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার শিগগিরই ঢাকায় আসছেন এরদোয়ান কুমিল্লায় ছাত্রলীগের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ভালুকায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের ৮ একর বনভূমি উদ্ধার ১ নভেম্বর থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক কালিয়াকৈরে বিষধর সাপের কামড়ে এক নারীর মৃত্যু
৫৩

যে কায়দায় বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২০  

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের সোশ্যাল মিডিয়া ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের বিশেষ অভিযানে বিকাশ প্রতারক চক্রের প্রধানসহ নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শ‌নিবার ডিএম‌পির ডি‌সি (মি‌ডিয়া) মো. ওয়ালিদ হোসেন বাংলাদেশ জার্নালকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। একইসঙ্গে অভিনব কায়দায় এই প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের পুরো প্রক্রিয়াটিও তুলে ধরেন তিনি।

ডিএমপির ডিসি বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাজধানী ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মডেলের পাঁচটি মোবাইল ফোন, দশটি সিমকার্ড ও একটি ল্যাপটপও উদ্ধার করা হয়।’

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাইফুল ইসলাম (২২), লিটন হোসেন (২৩), জুবায়ের শেখ (২২), গোলাম কিবরিয়া মন্ডল (১৯), ইমরান মোল্লা (২৩), শাওন হোসাইন মন্ডল (১৮), মিনজারুল ইসলাম মোল্লা (২৫), আশরাফ মোল্লা (২৬) ও সাগর আহম্মেদ (২৫)।

আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘বিকাশ প্রতারক চক্রের এই সদস্যরা প্রধানত চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতারণা করে। প্রথম গ্রুপ মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন বিকাশের দোকানে টাকা বিকাশ করার কথা বলে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে পূর্বে লেনদেনকৃত বিকাশ খাতার ছবি তুলে নেয় তারা। প‌রে ওই ছবি হোয়াটসঅ্যাপে দ্বিতীয় গ্রুপের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

দ্বিতীয় গ্রুপ- তার কাছে পাঠানো বিকাশ খাতা থেকে পাওয়া বিভিন্ন নম্বরে বিকাশ দোকানদার সেজে কল করে এবং জানতে চায় যে, তাদের কাছে পাঠানো টাকা তারা পেয়েছেন কিনা এবং ক্যাশ আউট করেছেন কিনা। যদি বলে পেয়েছে কিন্তু টাকা তুলেনি বা ক্যাশ আউট করেনি তখন প্রতারকরা তাদের প্রতারণার বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার শুরু করে। প্রতারণার ছলে বলতে থাকে যে, আমার দোকান থে‌কে একই সময়ে কয়েকটি নাম্বারে পাঠানো টাকা নিয়ে অভিযোগ আসায় তাদের নাম্বার লক করতে গিয়ে আপনার নাম্বারও লক হয়ে গেছে। আপনাকে বিকাশ অফিস থে‌কে ফোন করে আনলক করে দেবে।

অল্প সময়ের ব্যবধানে তৃতীয় গ্রুপ বিকাশ কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস অফিসার পরিচয় দিয়ে, অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে বিকাশ অফিসের নাম্বার ক্লোনিং করে ফোন দেয়। ফোন করে বিভিন্ন কথার ছলে ওটিপি এবং বিকাশ পিনকোড নিয়ে নেয়। প‌রে গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে প্রতারক চক্র অ্যাকাউন্ট আনলক করার কথা বলে ভুক্তভোগী বিকাশ অ্যাকাউন্ট এবং প্রতারক চক্রের বিকাশ অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দিতে বলে।

এইভাবে হাতিয়ে নেওয়া টাকা মাঠ পর্যায়ে থাকা সর্বশেষ অর্থাৎ চতুর্থ গ্রুপ এর নিকট পাঠানো হয়। যারা বিভিন্ন হাত বদল করে ক্যাশ আউট করে, ফলে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

ডিসি আরো বলেন, ‘এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত প্রতারকদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় মামলা হয়েছে।’

গাজীপুর কথা
অপরাধ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর