ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২৬/১০/২০২০: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮১৮, নতুন ১৪৩৬ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪০০২৫১ জন। নতুন ১৪৯৩ জনসহ মোট সুস্থ ৩১৬৬০০ জন। একদিনে ১৩৭৫৮ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ২২৭১৩৪৭ টি।
  • সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১১ ১৪২৭

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
সাংবাদিকদের অবশ্যই দায়িত্বশীল হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে বসলো ৩৪তম স্প্যান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতিসংঘের জোরালো ভূমিকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের ‘গ্লোব বায়োটেক’র তৈরি টিকা নিতে চায় নেপাল মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু ৮ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সঠিক ভাষণ খুঁজতে কমিটি গঠন গ্লোব বায়োটেকের ভ্যাকসিন তালিকাভুক্ত করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মুজিবনগরকে দৃষ্টিনন্দন করতে ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প গুরুদাসপুরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর পেল অসহায় পরিবার খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উদাহরণ দেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শিগগিরই কক্সবাজারের চেয়ে ১৮টি উন্নত সেবা ভাসানচরে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানের ফিটিং সম্পন্ন বাংলাদেশ করোনার ৩ কোটি ভ্যাকসিন পাবে : স্বাস্থ্য সচিব বাংলাদেশ থেকে কৃষি শ্রমিক নেবে ইতালি গাজীপুরে পূজা উদযাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন কাপাসিয়ায় অসহায় ও দুস্থ মহিলাদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে গাজীপুরে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১০ জন করোনায় আক্রান্ত বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ভালুকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরন স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হলেন কালীগঞ্জের পাপ্পু
১৬৮

মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা, জেনে নিন করণীয়

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট ২০২০  

সড়কে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে তৈরি হয় ট্রাফিক আইন। এ ক্ষেত্রে সব যানবাহনকে ট্রাফিক আইন বাধ্যতামূলক মেনে চলতে হবে। আইন অমান্য করলে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা বা ট্রাফিক বিভাগ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। সেই পদক্ষেপের মধ্যে জরিমানা পরিশোধসহ আদালতে যাতায়াতের প্রয়োজন পড়তে পারে।

মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে মামলা হয়। এছাড়া উল্টো দিকে গাড়ি চালানোর অভিযোগে মামলাও হয়।

তাছাড়া ট্রাফিক আইন না মানা- ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য, লাইট না মেনে গাড়ি চালানো, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালালে মামলা হতে পারে। আর যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি বিদ্যমান হলেও মামলা হতে পারে।

মামলা করবেন সড়কে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা। তবে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মোটরযান আইন ছাড়াও নিয়মিত মামলা হতে পারে।

মামলা হলে করণীয়

প্রথমত, রাজধানীর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চারটি জোন বা এলাকা রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ। একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি, ট্রাফিক) প্রতিটি জোনের দায়িত্ব পালন করেন।

মোটরযানের বিরুদ্ধে মামলা হলে প্রথমেই জানতে হবে স্থানটি কোন এলাকার আওতাধীন। আর সেটি সহজেই বের করা সম্ভব। কোন ট্রাফিক বিভাগের অধীনে মামলা হয়েছে, সেটি জরিমানার সময় দেয়া টিকিটের পেছনে লেখা থাকে।

দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট জোনের ডেপুটি কমিশনারের দফতরে গিয়ে কিছু দাফতরিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এতে খুব সহজে মামলা নিষ্পত্তি হবে। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট জরিমানা দিতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে জরিমানা মওকুফও করা হয়।

তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না করা হলে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য মামলাটি সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর সড়কে সংশ্লিষ্ট গাড়িটি পেলে আটক করে পুলিশ কর্মকর্তারা। পরে জরিমানার টাকা আদায় হলে গাড়িটি ছেড়ে দেয়ার আদেশ দিতে পারে আদালত।

গাজীপুর কথা
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর