ব্রেকিং:
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) দেশে এ পর্যন্ত ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ৮২০ জন করোনা টিকা নেয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এরমধ্যে ৩৩ লাখ ৪১ হাজার ৫০৫ জন মানুষ টিকা গ্রহণ করেছেন। করোনা আপডেট বাংলাদেশ ০৩/০৩/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ০৫ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪২৮, নতুন ৬১৪ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩০ জন। নতুন ৯৩৬ জন সহ মোট সুস্থ ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৬৩৭ জন। একদিনে ১৬ হাজার ৪১৪টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৪০ লাখ ৮৯ হাজার ৩৩৬টি।
  • বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২০ ১৪২৭

  • || ২০ রজব ১৪৪২

সর্বশেষ:
বাংলাদেশকে কেউ থামাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সর্বশেষ জনপ্রিয় ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে এক কোটি ৯ লাখ ডোজ টিকা দেবে জাতিসংঘ সংগীতশিল্পী জানে আলম আলম আর নেই পঞ্চম দফায় ভাসানচর যাচ্ছে আরও ৩ হাজার রোহিঙ্গা ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চালু হচ্ছে ২৬ মার্চ করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৪৫ লক্ষাধিক মানুষ

প্রায় ৫ লাখ খামারিকে ৫৬৯ কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছে সরকার

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৬ জন খামারিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে মোট ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ ৪১ হাজার ২৫০ টাকা নগদ প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ প্রণোদনা প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

বুধবার ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি খাতে উন্নয়ন হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিগত তিন মেয়াদে কৃষির সবক্ষেত্রেই উৎপাদন বেড়েছে। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো পুষ্টি জাতীয় খাবারের নিশ্চয়তা দেয়া। পুষ্টিসম্মত খাবারের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই এ খাতে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে অতি দারিদ্র্য শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বড় অবদান রাখতে পারে। এজন্য বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উপর গুরুত্বারোপের অনুরোধও জানান কৃষিমন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমাদের দেশের মূল শক্তি জনগণের পরিশ্রম। তাদের উঠে দাঁড়াবার ক্ষমতা বারবার পরীক্ষিত। এ জন্য করোনা আমাদের তুলনামূলকভাবে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেনি। করোনার মধ্যেও আমরা প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের যেকোনো কাজ শেখ হাসিনা সরকারের উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।

সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামল বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণালি অধ্যায়। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তার অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য শেখ হাসিনা অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তারই নির্দেশনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় পাঁচ লাখ খামারিকে তাদের নির্ধারিত মোবাইল নম্বরে আমরা নগদ প্রণোদনা পৌঁছে দিয়েছি। আরো প্রায় দুই লাখ খামারিকে প্রণোদনা দেয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এটা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে, যেন কোনোভাবে মধ্যস্বত্বভোগীরা প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদের জন্য শেখ হাসিনার এ প্রণোদনা সহায়তা নষ্ট করতে না পারে।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে অপর বিশেষ অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্‌ভু এবং বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন বক্তব্য রাখেন।

গাজীপুর কথা