ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ০৫/০৫/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫০ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ হাজার ৭৫৫ জন, নতুন ১ হাজার ৭৪২ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৮ জন। নতুন ৩ হাজার ৪৩৩জন সহ মোট সুস্থ ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৫ জন । একদিনে ২০ হাজার ২৮৪ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৮ টি।
  • বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৩ ১৪২৮

  • || ২৪ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোকে নিজ খরচে চলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পূবাইলে যুবলীগের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ইফতার বিতরণ শ্রীপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নগদ অর্থ বিতরণ দেশব্যাপী চলমান লকডাউন বা বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে ভালুকায় মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে মত বিনিময় করেন এমপি ধনু শ্রমজীবীদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান আওয়ামী লীগের ভালুকায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার বিতরণ গাজীপুরের টঙ্গী প্রেসক্লাবের আগুন নিয়ন্ত্রণে এলপিজির দাম কমে এখন ৯০৬ টাকা গাজীপুর মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ

পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক প্রাণী জোনাথন দ্য টরটইজ

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২১  

পৃথিবীতে মানুষের জানামতে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রাণী হচ্ছে জোনাথন নামের একটি সামুদ্রিক কচ্ছপ জোনাথন দ্য টরটইজ। জন্ম ১৮৩২ সালে। ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণের পাঁচ বছর আগে। সে হিসেবে তার বয়স চলছে ১৮৯ বছর। জোনাথনের বাস দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি সেন্ট হেলেনায়।

১৮৮২ সালে ভারত মহাসাগরের সিসিলি থেকে এই জায়ান্ট কচ্ছপটিকে সম্পূর্ণ পরিণত অবস্থায় সেন্ট হেলেনায় আনা হয়। এর মানে তখন এর বয়স ছিলো কমসে কম ৫০ বছর। ১৯৩০-এর দশকে সেন্ট হেলেনার গভর্নর স্যার স্পেন্সার ডেভিস এর নাম রাখেন জোনাথন।

সেন্ট হেলেনা নেপোলিয়ন বোনাপার্তির শেষশয্যার স্থান হিসেবে বিখ্যাত। ১৮১৫ সালে ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর তাকে সেন্ট হেলেনায় নির্বাসনে পাঠানো হয়। তবে এই ফরাসি বীরের সঙ্গে জোনাথনের সাক্ষাৎ হয়নি। কারণ তার আগমনের ছয় দশক আগেই নেপোলিয়ন দেহ রক্ষা করেন।

উল্লেখ্য, জোনাথনকে সেন্ট হেলেনায় আনার পর তৎকালীন গভর্নর উইলিয়াম গ্রে-উইলসনকে উপহার দেওয়া হয়। উইলসন ১৮৯০ থেকে ১৮৯৭ পর্যন্ত সেন্ট হেলেনার গভর্নর ছিলেন। সেই থেকে জোনাথন এখনো সেন্ট হেলেনার গভর্নরের সরকারি বাসভবন প্ল্যানটেশন হাউসের আঙ্গিনায় বাস করছে। সেন্ট হেলেনার সরকারই তার দেখভাল করে থাকে।

প্ল্যানটেশন হাউস একটি জর্জিয়ান ভবন। ১৭৯১-১৭৯২ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এটি নির্মাণ করে। এখানে জোনাথনের সঙ্গে থাকে আরো তিনটি বৃহদাকার কচ্ছপ- ডেভিড, এমা ও ফ্রেড। এই বয়সেও জোনাথনের স্বাস্থ্য বেশ ভালো। যদিও বার্ধক্যের কারণে তার কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। জোনাথন রোদ পোহাতে পছন্দ করে। সূর্যস্নান করে। কিন্তু গরম বেশি পড়লে ছায়ায় গিয়ে আশ্রয় নেয়।

চোখে ছানি পড়ার কারণে জোনাথন দেখতে পায় না বললেই চলে। সব ধরনের ঘ্রাণশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তবে তার দৃষ্টিশক্তি চমৎকারভাবে ফিরে এসেছে এবং তার দারুণ ক্ষুধা রয়েছে। ভেট জানান, জোনাথনের যৌনশক্তি এখনো অটুট ও ভালো রয়েছে, যা প্রমাণ করে যে তার শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যও ভালো রয়েছে। তাকে প্রায়ই এমা ও ফ্রেডের সঙ্গে মিলিত হতে দেখা যায়।

জোনাথন বেশ ভদ্র এবং মানুষের সঙ্গে উপভোগ করে। শ্রবণশক্তি ভালো থাকায় বিশেষ করে খাওয়ানোর সময় নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেয়। জোনাথন কলা বেশ পছন্দ করে। তবে এটি তার মুখে লেগে থাকে। এছাড়া. বাঁধাকপি, শশা, আপেল, মৌসুমি ফল-মূল ও গাজরও দারুণ উপভোগ করে। তবে তাকে কোনোকিছুই বেশি খেতে দেওয়া হয় না। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে স্বল্প পরিমাণে সুষম খাদ্য পরিবেশন করা হয়।

দ্বীপবাসীদের কাছে জোনাথন বেশ জনপ্রিয়। কালের সাক্ষী জোনাথনকে সম্মান জানাতে সেন্ট হেলেনার পাঁচ পয়সার মুদ্রার উল্টো পিঠে জোনাথনের ছবি মুদ্রণ করা হয়েছে। কিছু বিধি-নিষেধ ধাকলেও দর্শনার্থীরা জোনাথনের দর্শন পেতে পারেন। কোভিড-১৯ মহামারীর এই ক্রান্তিকালেও প্রায় দুই শতাব্দী বয়সী এই কাছিমটি বেঁচে-বর্তে আছে।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা