ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২৬/১১/২০২০: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৭ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৫২৪, নতুন ২২৯২ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৫৬৪৩৮ জন। নতুন ২২৭৪ জনসহ মোট সুস্থ ৩৭১৪৫৩ জন। একদিনে ১৭৫৩২টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ২৭১৩২০২টি।
  • শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৭

  • || ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
সৌদি সহায়তায় ৮ বিভাগে ‘আইকনিক মসজিদ’ নির্মিত হবে: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আলী যাকের আর নেই, প্রধানমন্ত্রীর শোক ২৭ নভেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর জন্মদিন বছরে প্রতি উপজেলা থেকে এক হাজার কর্মী যাবে বিদেশ ২৭ নভেম্বর, শহীদ ডা. মিলন দিবস মা-বাবার পাশে চিরশায়িত ডিয়েগো ম্যারাডোনা
৮০

নববধূকে তালাক দিয়ে অনশনরত তরুণীকে বিয়ে

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২০  

ঢাকার ধামরাইয়ের ব্যবসায়ী মো. জুলহাস উদ্দিন বিয়ে করেছেন মাত্র পাঁচদিন আগে। এরমধ্যেই অনশনরত প্রেমিকাকে বিয়ে করতে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন জুলহাস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সৈয়দের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র পাঁচদিন আগে ১৫ নভেম্বর বালিয়া সৈয়দের মোড় এলাকার মো. আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে ব্যবসায়ী মো. জুলহাস উদ্দিন কাবিন রেজিস্ট্রি করে একই উপজেলার দেওনাই গ্রামের মো. আবুল হোসেনের মেয়ে মোসাম্মৎ আকলিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। এ খবর পেয়ে তার পুরোনো প্রেমিকা চর টৌহাট গ্রামের বাসিন্দা মো. চাঁন মিয়ার মেয়ে ও ভালুম আতাউর রহমান খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী সীমা আক্তার ১৫ নভেম্বর বিকেলে ওই বাড়িতে আসেন।

এরপর তিনি বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়ির লোকজন বিয়ের দাবিতে অনশনরত ওই কলেজছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে তারা ওই কলেজছাত্রীকে একা বাড়িতে রেখে বাড়ি ছেড়ে চলে যান।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার পুলিশ ও সাংবাদিক ঘটনাস্থলে এলে ওই পরিবারের লোকজন অনশনরত কলেজছাত্রীর সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. সজল মিয়ার মাধ্যমে। ওই কলেজছাত্রীর দেয়া শর্তানুযায়ী ব্যবসায়ী জুলহাস বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার বৈধ স্ত্রীকে তালাক প্রদান করে তাকে কাবিন রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

অনশনরত কলেজছাত্রী সীমা আক্তার জানান, প্রেমের জয় হয়েছে। সেই সঙ্গে আমিও বিজয়ী হলাম। এখন আমার আর কোনো অভিযোগ নেই আমার প্রেমিক স্বামীর ওপর। সে আমার শর্ত মেনে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে। 

প্রেমিক জুলহাস জানান, আমার কোনো উপায় ছিল না। তাই আমার রেজিস্ট্রি করা স্ত্রীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকাকে বিয়ে করেছি। আমি পরিবারের চাপে পড়ে ওই মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে তুলেছিলাম।

তালাকপ্রাপ্ত নববধূ আকলিমা আক্তার জানান, আমার কপাল পুড়ে গেছে আমার স্বামীর নির্দয়তার কারণে। এরপরও আমি যুগ যুগ ধরে তারই পথচেয়ে অপেক্ষা করব। একজন সতীনারী কেবল একজনকেই স্বামী হিসেবে মনে জায়গা দিতে পারেন।

ওই নববধূর অভিভাবক মো. আবদুল খালেক জানান, ছেলেটি ও তার পরিবারের লোকজন আমাদের সঙ্গে যা করল তা ভাষাহীন। একটি মেয়ের সঙ্গে এমন বিশ্বাসঘাতকতা কীভাবে করতে পারে। এটা খুবই দুঃখজনক। আল্লাহ ঠিকই ওদের বিচার করবেন।

গাজীপুর কথা
সারাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর