ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২২/০৬/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭৬ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭০২ জন, নতুন ৪৮৪৬ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৬১১৫০ জন। নতুন ২৯০৩ জন সহ মোট সুস্থ ৭৮৮৩৮৫ জন । একদিনে ২৫০২৮ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৬৩৭৬৮১৯।
  • বুধবার   ২৩ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
টিকা তৈরিতে সক্ষম দেশগুলোর বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাজধানী ঢাকা এডিবি ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে ‘জুলাই থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ২০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা’ গাজীপুরের প্রবেশমুখ গুলোতে পুলিশের কড়াকড়ি,ঢাকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রিজার্ভ ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

ঢাবির বুকে বারো ভূঁইয়ার মসজিদ

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২১  

বাংলাদেশের যে স্থাপনাশৈলী এখনও বিমোহিত করে চলেছে অগণিত মানুষকে, তার মধ্যে আছে দেশজুড়ে থাকা অগণিত নয়নাভিরাম মসজিদ। এ নিয়ে ধারাবাহিক আয়োজন ‘বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ মসজিদ’। আজ থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার মুসা খান মসজিদ।

মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে বাংলার বারো শাসককে বলা হয় ‘বারো ভূঁইয়া’। আর তাদের আমলেই বাংলায় নির্মিত হয় চমৎকার সব স্থাপত্য। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকায় ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলের উত্তর-পশ্চিম কোণে এখনও দাঁড়িয়ে আছে মুসা খান মসজিদ।

কার্জন হলের চত্বরটি একসময় ‘বাগে-মুসা খান’ বা মুসা খানের বাগান নামেই পরিচিত ছিল।

বারো ভূঁইয়ার আমলের অন্যতম মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর পুত্র মুসা খানের নামে মসজিদটির নামকরণ হয় বলে জানা যায়। অনুমান করা হয় মসজিদটি নির্মাণ করা হয় ১৬৭৯ সালে।

ইতিহাসবেত্তাদের মতে, নাম মুসা খান মসজিদ হলেও তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা নন। এর স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে শায়েস্তা খানের স্থাপত্যরীতির মিল পাওয়া যায়। সেখান থেকেই এমন ধারণা। শায়েস্তা খান ঢাকায় আসেন আরও পরে।

অধ্যাপক এম হাসান দানীর মতে, মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন মুসা খানের নাতি মনোয়ার খান। অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ও আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়াও তাঁর এই মতকে সমর্থন দেন।

মসজিদটি নির্মাণ করা হয় তিন মিটার উঁচু একটি ভল্ট প্লাটফর্মের ওপর। ভল্ট প্লাটফর্মটি ১৭ মিটার লম্বা ও ১৪ মিটার চওড়া। প্লাটফর্মের ওপর নির্মিত মসজিদটির নিচতলায় কয়েকটি কক্ষ রয়েছে। এগুলোতে আগে মসজিদ সংশ্লিষ্টরা বাস করলেও এখন সবই পরিত্যক্ত।

মসজিদটি একসময় একটি দেয়াল দিয়ে ঘেরাও করা ছিল। সেটারও এখন কোনও চিহ্ন নেই।

দক্ষিণের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয় মসজিদের দরজায়। পূর্বে খোলা বারান্দা আর চওড়া দেয়াল। পূর্ব-পশ্চিমের দেয়াল ১ দশমিক ৮১ মিটার ও উত্তর-দক্ষিণের দেয়াল ১ দশমিক ২ মিটার চওড়া।

পূর্বের দেয়ালে তিনটি ও উত্তর-দক্ষিণে দুটি খিলান দরজা আছে। ভেতরে পশ্চিম দেয়ালের মধ্যে একটি প্রধান ও পাশে দুটি ছোট মেহরাব।

চারপাশের দেয়ালে মুঘলরীতির নকশা। বাইরের দেয়ালের চার কোণে চারটি মিনারখচিত আটকোণা বুরুজ। পাশে ছোট ছোট মিনার। বুরুজ ও ছোট মিনার ১৬টি। উপরের কার্নিশ নকশাখচিত।

মসজিদটির বাইরের দেয়ালে শ্যাওলা পড়ে গেলেও এখনও বারো ভূঁইয়াদের গৌরবের স্মৃতি হয়ে আছে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা