ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২২/০৬/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭৬ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭০২ জন, নতুন ৪৮৪৬ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৬১১৫০ জন। নতুন ২৯০৩ জন সহ মোট সুস্থ ৭৮৮৩৮৫ জন । একদিনে ২৫০২৮ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৬৩৭৬৮১৯।
  • বুধবার   ২৩ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
টিকা তৈরিতে সক্ষম দেশগুলোর বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাজধানী ঢাকা এডিবি ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে ‘জুলাই থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ২০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা’ গাজীপুরের প্রবেশমুখ গুলোতে পুলিশের কড়াকড়ি,ঢাকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রিজার্ভ ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

জেনেনিন বাচ্চাকে মুরগীর কলিজা খাওয়ানো কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত?

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২২ মে ২০২১  

কলিজা বাচ্চার জন্য উপকারী বিধায় বেশিরভাগ মায়েরাই বাচ্চাকে কলিজা খাইয়ে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে কলিজা খাওয়ানো আর বিষের বোতল খাওয়ানো একই সমান হয়ে গিয়েছে।
বাজার থেকে কেনা কক আর ফার্মের- ২ ধ’রণের মুরিগীকেই যে ট্যানারির বর্জ্য থেকে তৈরীকৃত খাদ্য খাওয়ানো হয়, তাতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত ক্রোমিয়াম থাকে।
কলিজা হলো দে’হের শোধনাগার। তাই কলিজা,মুরগীকে বাচানোর জন্য বেশিরভাগ ক্রোমিয়াম সংগ্রহ করে নিজে’র মধ্যে জমিয়ে রাখে।

সাম্প্রতিক কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ডঃ আবুল হোসেনের গবেষনায় দেখা গিয়েছে মুরগীর দেহের মধ্যে কলিজাতে ৬১২ মাইক্রো’গাম ক্রোমিয়াম জমে (যেখানে ক্রোমিয়াম খাওয়ার নি’রাপদ মাত্রা হলো ৩৫ মাইক্রো’গাম)।

তবে প্রথম ও দ্বীতিয় স্থানে আছে মগজ (৪৫২০ মাইক্রো’গ্রাম) ও হাড় (২০০০ মাইক্রো’গ্রাম)। আর স’বচেয়ে কম আছে মাংসে, তবে সেটাও নি’রাপদ মাত্রায় না। তাই কলিজা,মগজ আর হাড়ের সুপ খাওয়ানোর সময় অবশ্যই আরেকবার ভাবা উচিত। খাওয়াতে চাইলে একদম ঘরে পালা মুরগী অথবা গরু/খাসীর কলিজা খাওয়ানো উচিত। 
আর স্যুপ খাওয়াতে চাইলে, বাচ্চা মুরগীর খাওয়ানো উচিত, কারণ তাতে ক্রোমিয়াম কম জমা থাকে (বয়সের সাথে সাথে জমা’র পরিমাণ বাড়ে) ক্রোমিয়াম এর ধারণা টা নতুন, তাই এটা নিয়ে কেউ ভাবেনা।
আপনাকে যদি ১ গ্লাস পানি দিয়ে বলা হয় এতে আর্সেনিক আছে, অথবা ফল দিয়ে বলা হয় এটা এই মাত্র ফরমালিন এ চুবিয়ে আনা হয়েছে, আপনি কি বাচ্চাকে খাওয়াবেন? না।
কারণ ফরমালিন আর আর্সেনিক সস্পর্কে আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি এবং জানি। তাই ঘরে ঘরে রোগাক্রান্ত মানুষ দেখার আগেই আমাদের ক্রোমিয়াম স’স্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা