ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ০৫/আগস্ট/২০২০ : করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৩ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৬৭, নতুন ২৬৫৪ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৪৬৬৭৪, নতুন ১৮৯০ জনসহ মোট সুস্থ ১৪১৭৫০ জন, একদিনে ১১১৬০ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ১২১২৪১৬ টি।
  • বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী আজ সিনহা রাশেদের মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন, বিচারের আশ্বাস মানুষ যেন উন্নত জীবন পায় সেটাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী আমরা সফলতার সঙ্গে করোনা মোকাবিলা করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাজীপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ৮ জনের করোনা শনাক্ত জুলাইয়ে রপ্তানি আয় ৩৯২ কোটি ডলার অতীতের রেকর্ড ভেঙে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো দেশে ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে মিড-ডে মিল কার্যক্রম ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ গাজীপুরে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি
৯০

ঘূর্ণিঝড়-দুর্যোগ পরবর্তী জরুরি করণীয়

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ২১ মে ২০২০  

বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। আম্পানের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার বিকেল থেকে আম্পান উঠে আসতে শুরু করে স্থলভাগের দিকে। তবে সন্ধ্যার দিকে সুন্দরবনের দিকে মূল আঘাত হানে আম্পান। আম্পান সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালিয়েছে সাতক্ষীরায়। উপকূলীয় এ জেলায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১৪৮ কিলোমিটার।

এ সময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। প্রবল বেগের এই ঝড়ে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকা লণ্ডভণ্ড করে দেয়। বিধ্বস্ত হয় ঘরবাড়ি, ভেঙে পড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি। 

এ রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবছর ব্যাপক সম্পদ ও প্রাণহানি ঘটে। এসব ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে সম্পদ ও প্রাণহানির পরিমাণ ব্যাপক। এ বিষয়ে জনগণ বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের অধিবাসীদের সচেতন হতে হবে। তাহলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমে যাবে। দুর্যোগের পরবর্তী কিছু করণীয় রয়েছে। যেগুলো সাধারণ মানুষের অনুসরণ করা জরুরি। যেমন-

১. রাস্তাঘাটের ওপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন, যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।

২. আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।

৩. অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।

৪. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে, সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।

৫. ত্রাণের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সচেষ্ট হোন। ত্রাণের পরিবর্তে কাজ করুন। কাজের সুযোগ সৃষ্টি করুন। রিলিফ যেন মানুষকে কর্মবিমুখ না করে কাজে উত্সাহী করে, সেভাবে রিলিফ বিতরণ করতে হবে।

৬. দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকাজ শুরু করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছে দড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাঁকে উদ্ধারকাজে সাহায্য করা যায়।

৭. ঝড় একটু কমলেই ঘর থেকে বের হবেন না। পরে আরও প্রবল বেগে অন্যদিক থেকে ঝড় আসার আশঙ্কা বেশি থাকে।

৮. পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পান করুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।

৯. নারী, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ত্রাণ বণ্টন (আলাদা লাইনে) করুন।

১০. দ্রুত উত্পাদনশীল ধান ও শাক-সবজির জন্য জমি প্রস্তুত করুন, বীজ সংগ্রহ করুন এবং কৃষিকাজ শুরু করুন, যাতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ফসল ঘরে আসে।

১১. ঝড়ে ক্ষতি হয়েছে এমন কোনও বাড়িতে আশ্রয় নেবেন না।

১২. ছিঁড়ে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে হাত দেবেন না।

গাজীপুর কথা