ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২২/০৬/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭৬ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭০২ জন, নতুন ৪৮৪৬ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৬১১৫০ জন। নতুন ২৯০৩ জন সহ মোট সুস্থ ৭৮৮৩৮৫ জন । একদিনে ২৫০২৮ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৬৩৭৬৮১৯।
  • বুধবার   ২৩ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৯ ১৪২৮

  • || ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
টিকা তৈরিতে সক্ষম দেশগুলোর বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রাজধানী ঢাকা এডিবি ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে ‘জুলাই থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ২০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা’ গাজীপুরের প্রবেশমুখ গুলোতে পুলিশের কড়াকড়ি,ঢাকা প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রিজার্ভ ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

গুগল ফেসবুক আমাজন আসছে করের আওতায়, ঐতিহাসিক চুক্তি সই

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ৬ জুন ২০২১  

গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল ও আমাজনের মতো বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে উচ্চ করের আওতায় নিয়ে আসতে একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও অন্যান্য শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলো।-খবর বিবিসি ও রয়টার্সের

বলা হচ্ছে, এসব কোম্পানি থেকে পাওয়া কোটি কোটি ডলার দিয়ে করোনার বিপর্যয় মোকাবিলা করতে পারবে সরকারগুলো। 

ন্যূনতম বৈশ্বিক কর্পোরেট কর ১৫ শতাংশ নির্ধারণে একমত হয়েছে উন্নত দেশগুলোর সংস্থা গ্রুপ অব সেভেন (জি৭)। বড় কোম্পানিগুলো যেসব দেশে পণ্য বিক্রি করে, সেখানে তাদের আরও বেশি করে কর দিতে হবে।

লন্ডনে দুদিনের বৈঠকের পর শনিবার (৫ জুন) ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেন, বৈশ্বিক কর ব্যবস্থার সংস্কারে এক ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছে জি৭ অর্থমন্ত্রীরা। বৈশ্বিক ডিজিটাল যুগের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতেই এই চুক্তি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জি৭–এর সদস্যদেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি ও জাপান এই চুক্তিতে সায় দিয়েছে।

বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে আসা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর কর আরোপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল দেশগুলো।

আমাজন ও ফেসবুকের মতো প্রযুক্তি কর্পোরেশনগুলোর বিস্তৃতিতে সেই প্রতিকূলতা আরও বাড়ছিল।

এখন কোম্পানিগুলো যেসব দেশে তুলনামূলক কম কর্পোরেট কর রয়েছে, সেসব দেশে স্থানীয় শাখা খুলতে পারে এবং সেখানে মুনাফা ঘোষণা করতে পারে। 

জি৭ চাইছে সারা বিশ্বে এসব কোম্পানির জন্য একটি ন্যূনতম করহার নির্ধারণ করা হোক। কোম্পানিগুলো যেসব দেশে তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করবে, সেসব দেশে তাদের কর দিতে হবে।

চুক্তির প্রধান বিষয় হচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী যেসব কোম্পানির মুনাফার হার অন্তত ১০ শতাংশ সেই সব কোম্পানিকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার প্রতিটি জায়গায় করের আওতায় আনা হবে।

এর ওপরে যে মুনাফা হবে, তার ২০ শতাংশ তাদের ব্যবসা পরিচালনার দেশগুলোতে নিতে হবে এবং সেখানকার নিয়ম অনুযায়ী কর্পোরেট কর নির্ধারিত হবে।

লন্ডনের মধ্যাঞ্চলে বাকিংহাম প্রাসাদের কাছে ঊনিশ শতকের একটি ম্যানশনে জি৭ দেশের অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছে। মহামারি শুরু হওয়ার পর এটি ছিল তাদের প্রথম কোনো বৈঠক।

জার্মান অর্থমন্ত্রী ওলফার স্কোলজ বলেন, বৈশ্বিক কর স্বর্গের জন্য এটি একটি খারাপ খবর। এতে স্বল্প-করের দেশগুলোতে মুনাফা নিয়ে গিয়ে কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে যেতে পারবে না বড় কোম্পানিগুলো।

চুক্তিতে সম্ভাব্য ক্ষতির মুখে পড়তে পারে আয়ারল্যান্ড। কারণ দেশটির করের হারের সাড়ে ১২ শতাংশ। আইরিশ অর্থমন্ত্রী পাশচাল ডোনোহোই বলেন, যে কোনো বৈশ্বিক চুক্তি হওয়ার আগে ছোট দেশগুলোর কথাও বিবেচনা করতে হবে।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা