ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ০৫/০৫/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫০ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ হাজার ৭৫৫ জন, নতুন ১ হাজার ৭৪২ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৮ জন। নতুন ৩ হাজার ৪৩৩জন সহ মোট সুস্থ ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৫ জন । একদিনে ২০ হাজার ২৮৪ টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৮ টি।
  • বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৩ ১৪২৮

  • || ২৪ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক সংস্থাগুলোকে নিজ খরচে চলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পূবাইলে যুবলীগের উদ্যোগে দরিদ্রদের মাঝে ইফতার বিতরণ শ্রীপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নগদ অর্থ বিতরণ দেশব্যাপী চলমান লকডাউন বা বিধিনিষেধ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে ভালুকায় মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে মত বিনিময় করেন এমপি ধনু শ্রমজীবীদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান আওয়ামী লীগের ভালুকায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার বিতরণ গাজীপুরের টঙ্গী প্রেসক্লাবের আগুন নিয়ন্ত্রণে এলপিজির দাম কমে এখন ৯০৬ টাকা গাজীপুর মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ

গাজীপুরে মাঠে চোখ জুড়ানো বেগুনি ধান, আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০২১  

আবহমানকাল থেকে সবুজ রঙের ধান গাছই দেখে এসেছে বাংলার কৃষক। কিন্তু এখন কৃষকের জমিতে শোভা পাচ্ছে বেগুনি ধান (পার্পল লিফ রাইস)। বেশ কয়েক বছর ধরে বেগুনি ধানের চাষ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। চলতি বোরো মৌসুমে প্রথমবারের মতো গাজীপুরের শ্রীপুর ও কাপাসিয়া উপজেলায় এ জাতের ধানের চাষ হয়েছে। দৃষ্টিজোড়ানো এই ধান বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে অনেকের মধ্যে।

গাজীপুর কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবার জেলার এ দুটো উপজেলায় ০.৫৮০ হেক্টর জমিতে বেগুনি ধানের চাষ হয়েছে। সড়কের পাশের এ জমিতে এ জাতের ধান চাষ হওয়ায় বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে অনেকের মধ্যেই। এদিকে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল এলাকায় স্কুল শিক্ষক নূরে আলম সিদ্দিকী প্রথমবার ভিন্ন রঙের এই ধান তার দুই খ- জমিতে চাষ করেছেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কৌতূহল ও বিস্ময়ের জন্ম হয়েছে। নূরে আলম ধানশাইল উচ্চ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার ধানক্ষেতটি অনেকটা জাতীয় পতাকা আকৃতির।

গাজীপুর জেলা কৃষি বিভাগ জানান, এ ধানের জাত এখনো আমাদের দেশে অনুমোদন পায়নি। দেখতে সৌন্দর্যম-িত হলেও এর বিশেষ কোনো গুণের কথা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ জাতের

উদ্ভাবক আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সস্টিটিউট। এর উৎপাদনও খুব বেশি নয়, হেক্টরে মাত্র ৪/৫ টন। সাধারণত এ জাতের ধান গাছের মাধ্যমে বিস্তৃত ধানের জমিতে মার্জিন দিতে ব্যবহার হয়। কৃষি বিভাগ সবসময় উচ্চফলনশীল জাতের ধান চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে, তাই যেহেতু এ ধানের ফলন তেমন নেই, তাই এ জাতের ধান চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হয়।

শ্রীপুরের বেকাশহরা গ্রামের কৃষক এনামুল হক জানান, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ জাতের ধানের কথা জানতে পারেন। পরে অনেকটা শখের বশে বীজ সংগ্রহ করে টেংরা-বরমী সড়কের পাশে ৩৫ শতাংশ জমিতে এ ধানের চাষ করেন। ভরা মৌসুমে এখন দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠেছে তার ধানের জমি। পথচারীসহ অনেকেই এ ধান দেখতে পেয়ে একটু দাঁড়িয়ে এর সৌন্দর্য অবলোকন করেন। এছাড়া শৈলাট গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদও অনেকটা শখের বশে এবার দশ শতাংশ জমিতে বেগুনি ধান চাষ করেছেন।

গাজীপুর জেলা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মাহবুব আলম বলেন, উচ্চফলনশীল না হলেও অনেকেই শখের বশে এ জাতের ধান চাষ করছেন। তবে কৃষকদের বড় পরিসরে করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। কেননা সৌন্দর্য ছড়ানো ছাড়া এর বিশেষ কোন গুণের কথা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

গাজীপুর কথা
গাজীপুর কথা