ব্রেকিং:
করোনা আপডেট বাংলাদেশ ২৫/০১/২০২১: করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৮ জনের মৃত্যু এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮০৪১, নতুন ৬০২ জন সহ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫৩২৪০১ জন। নতুন ৫৬৬ জন সহ মোট সুস্থ ৪৭৬৯৭৯ জন। একদিনে ১৪৮২৯টি সহ মোট নমুনা পরীক্ষা ৩৫৭০৩৮৭টি।
  • সোমবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১২ ১৪২৭

  • || ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
ঢাকায় পৌঁছাল ভ্যাকসিনের প্রথম চালানের ৫০ লাখ ডোজ ইতিহাস সৃষ্টি করলেন প্রধানমন্ত্রী, বাড়ি পেল ৭০হাজার গৃহহীন পরিবার ২৫ জানুয়ারি, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৭তম জন্মবার্ষিকী ২৭ জানুয়ারি করোনার প্রথম টিকা পাবেন কুর্মিটোলার নার্স কাপাসিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেলেন ভূমিহীন ও গৃহহীনরা প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেলেন ভালুকার ১৯৯ গৃহহীন পরিবার গাজীপুরের গাছা’য় বঙ্গবন্ধু কলেজের ভবন উদ্বোধন গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ কালিয়াকৈরে গৃহহীন বিধবাকে গৃহ নির্মাণ করে দিল পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেলেন শ্রীপুরের ২০ পরিবার বাংলাদেশকে করোনার টিকা উপহার দেবে চীনা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে বার্জার পেইন্টস বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা যাবে মোবাইলে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী কালিয়াকৈরে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ভালুকায় নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভা
৭৪

গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে জন্ম নিল উঠপাখির ৪ ছানা

গাজীপুর কথা

প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ইনকিউবেটরে জন্ম হলো উটপাখির ৪ ছানা।  ৭ ও ৮ জানুয়ারি এই ৪টি ছানা ফুটেছে। এসব ছানা সুস্থ রয়েছে বলে জানান পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান। তিনি বলেন, কিছু ডিম ইনকিউবেটরে রাখা আছে। আরো ছানা ফুটবে বলে আশা করছি।

জানা যায়, ২০১৩ সালে দুই দফায় দক্ষিণ আফ্রিকা ৬টি উটপাখি আমদানি করা হয়। পার্কের দক্ষিণ পশ্চিম পাশের ইমু পাখির পাশের বেষ্টনীতে রাখা হয়।  কিছু দিন পর থেকেই উটপাখি নিয়মিত ডিম পাড়তে থাকে। পরে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে প্রাকৃতিকভাবে উটপাখির একটি বাচ্চা ফোটে।  পরের বছরই আরো দুটি বাচ্চা ফোটে।  প্রতি বছরই পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিম পাড়লেও বাচ্চা ফুটছিল না। তবে এবার বিশেষ চিন্তা ভাবনা থেকেই ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফোটানোর চেষ্টা করা হয়।

এর আগে ইনকিউবেটরে ময়ূরের বাচ্চা ফোটানো হয়েছিল। সে সূত্র ধরেই উটপাখির ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোয় সাফল্য এলো। সমতলে বসবাস করা পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো উটপাখি।  এ পাখি আবদ্ধস্থানে ৬০ বছর বেঁচে থাকতে পারে। অপরদিকে প্রাকৃতিকভাবে ৪০-৪৫ বছর বাঁচে। এদের ওজন প্রায় ৬৩ কেজি থেকে ১৪৫ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। উটপাখি লম্বা পায়ে ঘন্টায় ৭০ কিমি গতিতে দৌঁড়াতে পারে। 

নিয়মিত ঘরের তাপমাত্রা মাপা হয়।  কলমি শাক, বাধা কপি কুুচি ও স্টাটার ফিড খেতে দেওয়া হয় বাচ্চাদের।  পৃথিবীতে আকারে সবচেয়ে বড় পাখি হচ্ছে উটপাখি। এদের ডিমও আকারে সবচেয়ে বড় হয়ে থাকে। পুরুষ পাখির শরীর কালো রঙ আর লেজ সাদা রঙের। অপর দিকে নারী উটপাখির সারা শরীরই ধূসর রঙের। 

বালুময় মরু অঞ্চলে এদের বেশি বিচরণ। সাহারা মরুভূমির উত্তর ও দক্ষিণে এবং পূর্ব আফ্রিকায় বেশি উটপাখির বসবাস। 

গাজীপুর কথা
গাজীপুর বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর